E-Paper

তোলা চেয়ে ‘মার’, অভিযুক্ত শ্রমিক নেতা

বরাহনগরের দেশবন্ধু রোডে থাকেন ইন্টিরিয়র ডিজ়াইনার সুদীপ্ত ঘোষ। তাঁর দাবি, টবিন রোডের বাসিন্দা এক ব্যক্তির বারাসতের ফ্ল্যাটে অন্দরসজ্জার কাজ করছিলেন তিনি। প্রথমে ওই ব্যক্তি ঠিক মতো টাকা মেটালেও পরে দিচ্ছিলেন না।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৩৮

— প্রতীকী চিত্র।

দাবি মতো কাজ না করায় তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। বরাহনগরের বাসিন্দা ওই যুবকের অভিযোগ তৃণমূলের এক শ্রমিক নেতার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার ভিডিয়ো (যার সত্যতা আনন্দবাজার যাচাই করেনি) সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্রমিক নেতা। শনিবার বরাহনগর থানায় অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। তার পরেই দু’জন গ্রেফতার হন। ব্যারাকপুরের নগরপাল প্রবীণ ত্রিপাঠী বলেন, ‘‘সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দুই অভিযুক্ত রাহুল যাদব ও আয়ুষ কুণ্ডুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজ চলছে।’’

বরাহনগরের দেশবন্ধু রোডে থাকেন ইন্টিরিয়র ডিজ়াইনার সুদীপ্ত ঘোষ। তাঁর দাবি, টবিন রোডের বাসিন্দা এক ব্যক্তির বারাসতের ফ্ল্যাটে অন্দরসজ্জার কাজ করছিলেন তিনি। প্রথমে ওই ব্যক্তি ঠিক মতো টাকা মেটালেও পরে দিচ্ছিলেন না। তাই বকেয়া না পেলে কাজ করবেন না বলে জানান সুদীপ্ত। তিনি বলেন, ‘‘বাকি কাজ শেষ করতে চাপ আসছিল তৃণমূল নেতার।’’ তিনি জানান, শুক্রবার রাতে শ্রমিক নেতা শঙ্কর রাউতের ঘনিষ্ঠ কয়েক জন যুবক তাঁর বাড়িতে এসে বলেন, ‘দাদা ডেকেছে, এখনই যেতে হবে।’ সুদীপ্তের অভিযোগ, তিনি রাজি না হওয়ায় টেনেহিঁচড়ে বার করে টোটোয় স্থানীয় ক্লাবের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বারাসতের ফ্ল্যাটের মালিক ও শঙ্কর, দু’জনেই ছিলেন। তাঁদের সামনেই শুরু হয় মারধর। সুদীপ্তের কথায়, ‘‘দাবি করা হয়, এক লক্ষ টাকা দিতে হবে এবং যে টাকার কাজ করেছি, তা-ও ফেরত দিতে হবে। রাজি না হওয়ায় বন্দুকের বাট দিয়ে মারে।’’ এ দিন আর জি করে চিকিৎসা করিয়ে থানায় যান সুদীপ্ত। সেখানে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ ছিলেন। সজল বলেন, ‘‘আক্রান্তের পাশে দাঁড়াতে এসেছি। শঙ্কর বিধায়কের ঘনিষ্ঠ।’’

বরাহনগরের তৃণমূল বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘সিসিটিভি ফুটেজে শঙ্করকে দেখা যায়নি। এর সঙ্গে দলের সম্পর্ক নেই। কেউ দোষী হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।’’ শঙ্করের দাবি, ‘‘দু’পক্ষকে মীমাংসার জন্য ডাকি। আর কিছু ঘটেনি। ওই যুবকই আমার নাম ভাঙিয়ে কাজ হাসিলের চেষ্টা করছিলেন। পুলিশে অভিযোগ করেছি।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

arrest Baranagar TMC

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy