Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৮ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

বাইক র‌্যালিতে খাবার অপচয় বন্ধের বার্তা

এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রবিবার একটি মোটরবাইক র‌্যালিতে রাখা হল খাবার অপচয় বন্ধের আবেদন। এ দিন সকালে সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্

সুনীতা কোলে
২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:০০
Save
Something isn't right! Please refresh.
আবেদন: সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ডে পোস্টার হাতে প্রচার বাইক আরোহীদের। নিজস্ব চিত্র

আবেদন: সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ডে পোস্টার হাতে প্রচার বাইক আরোহীদের। নিজস্ব চিত্র

Popup Close

মিড-ডে মিলের জন্য ২০১৮-২০১৯ সালের বাজেটে বরাদ্দ হয়েছে সাড়ে দশ হাজার কোটি টাকা। অথচ কৃষি মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ভারতে প্রতি বছরে নষ্ট হয় পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকার খাবার। এই বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হওয়ার জেরে অপুষ্টি ও অনাহারের শিকার হন দেশের বহু মানুষ। ২০১৮ সালের ‘গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স’ অনুযায়ী ১১৯টি দেশের মধ্যে ১০৩তম স্থানে রয়েছে ভারত। কিন্তু এই বিপুল অপচয় নিয়ে নেই তেমন সচেতনতা বা সংগঠিত প্রচার। তাই বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে এগিয়ে এল মোটরবাইক চালকদের একটি সংগঠন।

এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রবিবার একটি মোটরবাইক র‌্যালিতে রাখা হল খাবার অপচয় বন্ধের আবেদন। এ দিন সকালে সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে ওই র‌্যালি চলে মেচেদা পর্যন্ত। র‌্যালি শুরুর সময়ে এবং উলুবেড়িয়া ও মেচেদার আগে ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে বার্তা দেন চালকেরা। এতে যোগ দিয়েছিলেন প্রায় ৮০টি মোটরবাইক ক্লাবের ১২০০ জন সদস্য। মোটরবাইক ছিল ন’শোরও বেশি। এমনই একটি ক্লাবের তরফে উদ্দীপ্ত কুন্ডু বলেন, ‘‘গত আট বছর ধরে আমরা এই র‌্যালিটি করছি। প্রতি বারই সুরক্ষিত ভাবে বাইক চালানোর বার্তা দিয়েছি। এ বার তার সঙ্গে যোগ হল খাবার অপচয় বন্ধ করার বার্তাও। কী ভাবে রোজ খাবার নষ্ট হয়, তা জানতে পারার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’’ তিনি জানান, প্রতিটি ক্লাবের পক্ষ থেকে এই প্রচার এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বিভিন্ন জায়গায় অভিযানে গিয়েও স্থানীয় হোটেলগুলিতে এই বার্তা ছড়িয়ে দেবেন তাঁদের সদস্যেরা। এ ছাড়াও, র‌্যালির বাজেটের একাংশ ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন উদ্দীপ্ত।

খাবার অপচয় বন্ধের লক্ষ্যে কয়েক বছর ধরে কাজ করা ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষে চন্দ্রশেখর কুন্ডু জানাচ্ছেন, বিষয়টি নিয়ে আগের থেকে সচেতনতা বেড়েছে অনেকটাই, তবে তা যথে‌ষ্ট নয়। বিভিন্ন হোটেল, রেস্তরাঁ, অনুষ্ঠানে প্রতিদিনই নষ্ট হচ্ছে খাবার। কিন্তু তা উপলব্ধি করতে পারেন না বেশির ভাগ মানুষই। তাই বিষয়টির প্রচারে যত মানুষ এগিয়ে আসেন, ততই ভাল।

Advertisement


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement