নির্ধারিত দিনে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা যাবে কি না, জানতে চেয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়ালকে ফোন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। শুক্রবার সিইও দফতর সূত্রে খবর, জ্ঞানেশকে মনোজ জানিয়েছেন, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে। তবে তার পরেও ‘অমীমাংসিত’ ভোটারদের জন্য অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় আগামী ২৮ তারিখের মধ্যেই ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রয়োজনে পরে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে নাম যোগ করা যেতে পারে। আপাতত যা হয়েছে, তা-ই প্রকাশ করতে হবে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরেই দিল্লি থেকে কলকাতায় জ্ঞানেশের ফোন আসে। সিইও জানান, ২৮ তারিখেই তালিকা প্রকাশ হবে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কর্মসূচির সময়সূচি নতুন করে নির্ধারণ করেছে কমিশন। সংশোধিত সূচি অনুযায়ী, নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজ চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পোলিং স্টেশনের পুনর্বিন্যাস সম্পন্ন করার কথা। তার পর ভোটার তালিকার স্বাস্থ্যগত মান যাচাইয়ের সময়সীমা রাখা হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। শুক্রবার শীর্ষ আদালতে কমিশন জানায়, এসআইআরের কাজে সাহায্যের জন্য আরও ‘গ্রুপ-বি’ কর্মী চেয়ে রাজ্যকে চিঠি দিয়েছিল তারা। কিন্তু জবাবে সরকারপক্ষ জানিয়েছিল, কমিশনের আবেদন ‘বিবেচনাধীন’। রাজ্যের ওই ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে এসআইআরের কাজের জন্য কমিশনকে নিজেদের আধিকারিক আনতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি এ-ও বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শেষ করতে হয় বিচারবিভাগীয় আধিকারিক বা প্রাক্তন বিচারপতিদের আনতে হবে। অথবা অন্য রাজ্য থেকে আইএএস অফিসারদের নিয়োগ করতে হবে।’’
আরও পড়ুন:
এসআইআরের কাজ চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখার জন্য রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেই জানানো হয়, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে সমস্ত নাম পাওয়া যাবে, তা দিয়েই ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। প্রয়োজনে পরে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে নাম যোগ করা যেতে পারে।