E-Paper

আগুনের আতঙ্ক আর জি করে, রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন

শনিবার রাত ১১টা নাগাদ আর জি করের বহির্বিভাগে ওষুধের কাউন্টার সংলগ্ন ঘর থেকে আগুন লাগার বিপদঘণ্টা বাজতে শুরু করে। সঙ্গে তীব্র পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। সে সময়ে বন্ধ ছিল বহির্বিভাগ। গোটা ভবনে রোগী বা অন্য কেউ ছিলেন না।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৫৩

—ফাইল চিত্র।

চিকিৎসক-পড়ুয়াকে খুন-ধর্ষণ, লিফ্টে থেঁতলে মৃত্যুর পরে এ বার আগুন-আতঙ্ক। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে কেন্দ্র করে ‘আতঙ্ক’ যেন থামার নাম নেই। পুলিশ ও কর্মীদের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা রোখা গেলেও হাসপাতালের পরিকাঠামো ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে।

শনিবার রাত ১১টা নাগাদ আর জি করের বহির্বিভাগে ওষুধের কাউন্টার সংলগ্ন ঘর থেকে আগুন লাগার বিপদঘণ্টা বাজতে শুরু করে। সঙ্গে তীব্র পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। সে সময়ে বন্ধ ছিল বহির্বিভাগ। গোটা ভবনে রোগী বা অন্য কেউ ছিলেন না। তবে সামনের ফাঁকা অংশে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের পরিজনেরা ঘুমিয়ে ছিলেন। তাঁরা হাসপাতালের কর্মীদের খবর দিলে দ্রুত সেখানে আসেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ এবং হাসপাতাল কর্মীরা।বহির্বিভাগের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। দমকলের গাড়ি আসার আগেই হাসপাতালের কর্মীরা তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন। যদিওকোথাও আগুন দেখা যায়নি বলেই দাবি।

হাসপাতাল সূত্রের খবর, মূলত সন্ধ্যার পরে বহির্বিভাগ বন্ধ হয়ে যায়। ওষুধের কাউন্টারওছিল বন্ধ। ফলে পুরো ভবনে কেউ ছিলেন না। রাতে বহির্বিভাগের সামনে শুয়ে থাকা প্রসেনজিৎ দে রবিবার বললেন, ‘‘অনেক ক্ষণ ধরে পোড়া গন্ধ পাচ্ছিলাম। হঠাৎ ফায়ার অ্যালার্ম বাজতে শুরু করলে সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। হাসপাতালের কর্মীরা এসে আমাদের সরিয়ে দিয়ে, ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’’

প্রাথমিক ভাবে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে ধোঁয়া বেরোতে থাকায় বিপদঘণ্টা বাজতে শুরু করেছিল। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করায় বড় কিছু হয়নি। তবে হাসপাতালের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। যদিও আর জি করের সুপার, চিকিৎসক সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘রাতে বহির্বিভাগের ওষুধের কাউন্টার চত্বরে ফায়ার অ্যালার্ম বাজে। তৎক্ষণাৎ বহির্বিভাগের চাবি ভেঙে কর্তব্যরত আধিকারিক ও কর্মীরা সেখানে ঢোকেন। কিন্তু আগুন দেখা যায়নি।’’

গত মার্চেই আর জি করের লিফ্টে থেঁতলে মৃত্যু হয় এক যুবকের। সেই ঘটনায় হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। শনিবারের আগুন-আতঙ্ক সেই প্রশ্নকেই আরও জোরালো করল।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

RG Kar Medical College and Hospital Incident RG Kar Case

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy