২০২৫ সালে পকসো আইনে কতগুলি মামলা রুজু হয়েছে, শহরের থানাগুলির কাছে তা জানতে চাইল লালবাজার। সূত্রের খবর, ওই বছর দায়ের হওয়া মামলাগুলি বিচার প্রক্রিয়ার কোন অবস্থায় রয়েছে, অভিযুক্তেরা কেউ জামিন পেয়েছে কিনা, অথবা তাদের কারও জামিন নাকচ হয়েছে কিনা, তার বিস্তারিত তথ্য থানাগুলির কাছ থেকে জানতে চেয়েছে লালবাজার। গত সপ্তাহে লালবাজারের গোয়েন্দা দফতরের তরফে পাঠানো নির্দেশে বলা হয়েছে, গত এক বছরে দায়ের হওয়া ওই সমস্ত মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে কিনা, হয়ে থাকলে মামলার বর্তমান অবস্থা কী, তা-ও জানাতে হবে। আর যদি নির্ধারিত সময়ের পরেও চার্জশিট দাখিল না হয়ে থাকে বা তদন্ত শেষ না হয়ে থাকে, তা হলে তদন্ত কত দূর এগিয়েছে বা কেন চার্জশিট দাখিল হয়নি, তা-ও জানাতে হবে থানাগুলিকে। চলতি সপ্তাহে এই রিপোর্ট থানাগুলিকে পাঠাতে বলা হয়েছে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে।
এক তদন্তকারী অফিসার জানান, নাবালক-নাবালিকাদের উপরে যৌন নির্যাতনের মামলা সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন নির্দেশিকা দিয়েছে। সেই সমস্ত নির্দেশিকা ঠিক মতো পালিত হচ্ছে কিনা, তা জানতেই কলকাতা পুলিশ এলাকায় গত বছর দায়ের হওয়া পকসো মামলাগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে থানাগুলির কাছ থেকে। সেই রিপোর্ট এলে সব কিছু খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে মনে করছেন পুলিশকর্তাদের একাংশ।
প্রসঙ্গত, পকসো আইনে দায়ের হওয়া প্রতিটি মামলায় অভিযোগ দায়ের থেকে চার্জশিট জমা দেওয়া পর্যন্ত সব কিছু যাতে ঠিক মতো হয়, সে দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছিল অফিসারদের। এমনকি, আদালতে যাতে বিচারপর্ব দীর্ঘায়িত না হয়, তা-ও নজরে রাখার কথা পুলিশকর্তাদের।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)