Advertisement
E-Paper

অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ! ‘শান্তিনিকেতন’ থেকে বার করে নিয়ে গেল একটি মনিটর, কেন অভিযান তা এখনও স্পষ্ট নয়

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সোমবার দুপুরে প্রবেশ করলেন কয়েক জন পুলিশকর্মী। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পরেছিলেন সাদা পোশাক।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১৫:৫৯
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পুলিশ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পুলিশ। — নিজস্ব চিত্র।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন শান্তিনিকেতনে সোমবার দুপুরে প্রবেশ করলেন কয়েক জন পুলিশকর্মী। তাঁদের কয়েক জন ছিলেন সাধারণ পোশাকে। কয়েক জন পরেছিলেন সাদা উর্দি। কিছু ক্ষণ পরেই বাড়ির ভিতর থেকে একটি মনিটর নিয়ে বেরিয়ে যান পুলিশকর্মীরা। তার পর সেই মনিটর তুলে দেওয়া হয় একটি সাদা গাড়িতে, যাতে লেখা ছিল ‘কলকাতা পুলিশ’। সেটি কোথায় নিয়ে যাওয়া হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ওই পুলিশকর্মীরা অভিষেকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে একটি গাড়ি সেখানকার গ্যারেজ থেকে বেরিয়ে যায়। সেই গাড়িটি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার নামে নথিভুক্ত। শান্তিনিকেতন বাড়িটিও ওই সংস্থার নামেই পুরসভায় নথিভুক্ত রয়েছে। কেন হঠাৎ তৃণমূল সাংসদের বাড়িতে পুলিশ গেল, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। লালবাজারের এক কর্তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে কিছু জানেন না।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গ্যারেজ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে সেই গাড়ি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গ্যারেজ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে সেই গাড়ি। — নিজস্ব চিত্র।

ভোটের ফলঘোষণার দিন দুই পরে অভিষেকের বাড়ির সামনে থেকে প্রত্যাহার করা হয় অতিরিক্ত নিরাপত্তা। সরিয়ে দেওয়া হয় গার্ডরেল। তাঁর বাড়ির ভিতর থেকে বার করে আনা হয় স্ক্যানার। অভিষেকের বাড়িতে যে মানের স্ক্যানার বসানো ছিল, সেই মানের স্ক্যানার সাধারণত বিমানবন্দরে, রেল স্টেশনে বা বড় কোনও প্রতিষ্ঠানের দফতরে থাকে। কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়ের সামনে থেকেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁর ‘জ়েড প্লাস’ নিরাপত্তাও প্রত্যাহার করা হয়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের জন্য বরাদ্দ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিশেষ পাইলট কারের সুবিধা আর বহাল নেই। রাজ্যের বর্তমান সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ‘জ়েড প্লাস’ নিরাপত্তা বলয় ঘিরে থাকত অভিষেককে। সাংসদের সঙ্গে পাইলট কার ঘুরতে দেখা যেত। তবে সরকারি নির্দেশের পরে এক জন সাংসদ যে নিরাপত্তা পান, শুধু সেটুকু নিরাপত্তা বলয় বজায় রয়েছে অভিষেকের জন্য বলে খবর। প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গাইডলাইন অনুযায়ী অভিষেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হবে। ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হবে অতিরিক্ত বাহিনী এবং বিশেষ সুবিধা।

অভিষেকের দু’টি ঠিকানায় অবৈধ নির্মাণ হয়েছে, এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জোড়া নোটিস পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা। দু’টি নোটিসের প্রথমটি পাঠানো হয়েছে অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। দ্বিতীয় নোটিসটি লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে গিয়েছে, যার পরিচিতি অভিষেকের সংস্থা হিসাবে। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতা পুর আইন, ১৯৮০-এর ৪০০(১) ধারার কথা। ওই ধারা অনুযায়ী, কোনও বাড়ি বা নির্মাণের প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ অংশ ভাঙার বা কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিতে পারেন পুর কমিশনার। তবে ভাঙার আগে ওই সম্পত্তির সংশ্লিষ্ট মালিককে পুরসভার নোটিস পাঠাতে হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy