Advertisement
E-Paper

মৃতের সংখ্যা ১১, তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও আটকে কিছু শ্রমিক! আকাশভাঙা বৃষ্টি, বজ্রপাতে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার

তারাতলার ধ্বংসস্তূপ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে এক জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি লোহার বিমের নীচে আটকে ছিলেন প্রায় সাড়ে ১৮ ঘণ্টা। তবে তাঁর আঘাত তেমন গুরুতর নয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬ ১৫:৪২
তারাতলায় বৃষ্টিতে উদ্ধারকাজে বাধা, ধ্বংসস্তূপে চলছে প্রাণের খোঁজ।

তারাতলায় বৃষ্টিতে উদ্ধারকাজে বাধা, ধ্বংসস্তূপে চলছে প্রাণের খোঁজ। ছবি: পিটিআই।

তারাতলায় গুদাম বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১। বুধবার সারা রাত উদ্ধারকাজ চলেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন ভারতীয় সেনা, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যেরা। তবে বেলা গড়াতেই ব্যাঘাত ঘটে। প্রবল বৃষ্টি এবং বজ্রপাতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। যে হাইড্রোলিক ক্রেন ব্যবহার করে ভাঙা ছাদের অংশ তুলে নীচের ধ্বংসস্তূপ সরানো হচ্ছিল, বজ্রপাতের কারণে তা বেশি ক্ষণ তুলে রাখা যায়নি। ফলে দীর্ঘ ক্ষণ থমকে গিয়েছে উদ্ধারকাজ।

তারাতলার ধ্বংসস্তূপ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে এক জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি লোহার বিমের নীচে আটকে ছিলেন প্রায় সাড়ে ১৮ ঘণ্টা। তবে তাঁর আঘাত তেমন গুরুতর নয়। উদ্ধারের পর তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন। এই মুহূর্তে এসএসকেএমে চিকিৎসা চলছে তারাতলার ১৯ জনের। মোট ১১ জনকে সেখান থেকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে কয়েক জন আটকে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তাঁরা কী অবস্থায় আছেন, স্পষ্ট নয়। ভিতর থেকে আর কোনও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

তারাতলায় বজ্রপাতের কারণে হাইড্রোলিক ক্রেন নামিয়ে দিতে হয়েছে।

তারাতলায় বজ্রপাতের কারণে হাইড্রোলিক ক্রেন নামিয়ে দিতে হয়েছে। —নিজস্ব চিত্র।

বৃহস্পতিবার সকালে রোদের তেজ ছিল প্রবল। স্থানীয় সূত্রে দাবি, তাতে উদ্ধারকাজ কিছুটা মন্থর হয়ে পড়ে। তীব্র দাবদাহের কারণে কিছু ক্ষণেই হাঁপিয়ে উঠছিলেন উদ্ধারকারীরা। বার বার উদ্ধারকারী দল পরিবর্তন করতে হচ্ছিল। কোথাও গ্যাস কাটার দিয়ে লোহা কাটা হচ্ছে, কোথাও শাবল দিয়ে সরানো হচ্ছে মাটি। সকাল থেকে মূলত তিনটি হাইড্রোলিক ক্রেন ব্যবহার করা হচ্ছিল তারাতলায়। আর্থ মুভার দিয়ে ভাঙা ছাদের অংশ সরিয়ে নীচে প্রাণের খোঁজ চলছিল। তবে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সেই কাজ বন্ধ করে দিতে হয়। ক্রেনের উপরের অংশ ঘনঘন বজ্রপাতের মধ্যে উঁচুতে তুলে রাখা সম্ভব ছিল না। তাই উদ্ধারকাজ থামিয়ে দিতে হয়।

সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গিয়েছেন তিনি। ধ্বংসস্তূপের সামনেই অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। যাঁদের উদ্ধার করা হচ্ছে, তাঁদের প্রাথমিক ভাবে সেখানে চিকিৎসার পর অ্যাম্বুল্যান্সে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এসএসকেএমে। বৃষ্টি থামলে এবং পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ফের পুরোদমে উদ্ধারকাজ শুরু করা যাবে।

Taratala Kolkata port Kolkata Police

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy