Advertisement
E-Paper

মাঝ রাতে কাচের ঝনঝন, আতঙ্কিত যাদবপুর

ভূত, পাগল না মাতাল! মাঝ রাতে কার আনাগোনা পাড়ায়? দিন কয়েক ধরে এই ধন্দেই মশগুল হয়ে রয়েছে যাদবপুরের বি়জয়গড়, আজাদগড় এবং অশ্বিনীনগরের বাসিন্দারা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ নভেম্বর ২০১৫ ১৭:২৫

ভূত, পাগল না মাতাল! মাঝ রাতে কার আনাগোনা পাড়ায়? দিন কয়েক ধরে এই ধন্দেই মশগুল হয়ে রয়েছে যাদবপুরের বি়জয়গড়, আজাদগড় এবং অশ্বিনীনগরের বাসিন্দারা।

তাঁদের অভিযোগ, গাড়ি, জানলার কাচ ভেঙে দিয়ে মাঝ রাতে উধাও হয়ে যাচ্ছে কেউ। শব্দ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় আর কাউকে দেখা যাচ্ছে না।

যাদবপুরের এই সব এলাকার বহুতলের বাসিন্দাদের অনেকেই তাঁদের বাড়ির সামনের রাস্তায় সারা রাত গাড়ি রাখেন। এই ধরনের উপদ্রবে তাঁদের এর আগে পড়তে হয়নি বলে বাসিন্দারা জানান।

বিজয়গড়ের বাসিন্দা পিঙ্কা রায় বলেন, ‘‘দিন দুয়েক আগে আমার পাশের বাড়ির জানলার কাচ কেউ ভেঙে দিয়ে যায়।’’ অশ্বিনীনগরের দেবাশিস সাহা বলেন, ‘‘রাতে বাড়ির সামনেই রাখা ছিল বাইকটা। সকালে উঠে দেখি লুকিং গ্লাস ভাঙা।’’ আজাদগড়ের মনোজিৎ নাথের বক্তব্য, ‘‘প্রতি দিনের মতো শনিবারও বাড়ির সামনে গাড়ি রেখে রেখেছিলাম। রবিবার সকালে উঠে দেখি গাড়ির সামনের কাচটা ভাঙা।’’

রাত হলেই কাচ ভাঙার আতঙ্কে কাটাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। এই ধরনের ভূতুড়ে কারবারে রীতিমতো তাজ্জব বুনে গিয়েছেন তাঁরা।

সমস্যার সুরাহা চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থও হয়েছেন তারা। বিভিন্ন পাড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক দিনে যাদবপুরে গাড়ি এবং জানলা মিলিয়ে পঞ্চাশটিরও বেশি কাচ ভাঙার ঘটনা ঘটেছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই এলাকায় পুলিশি ব্যবস্থা জোরদার নয়। তারই সুযোগ নিচ্ছে কেউ। বাসিন্দারা জানান, এই সব এলাকায় রাতে পুলিশি টহল বলতে বড় রাস্তা দিয়ে ভ্যান ঘুরে যাওয়া। পাড়ার ভিতরে কখনও পুলিশ টহল দেয় না। এ দিকে অভিযোগ পেয়েই এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, গাড়ির ক্ষতি করার জন্যই কেউ এই ধরনের কাজ করছে। কাচ ভাঙলেও গাড়ির কোনও যন্ত্রাংশ নিয়ে চলে যাচ্ছে না অপরাধী। তাই এই ঘটনার সঙ্গে কোনও মাদকাসক্তও যুক্ত থাকতে পারে।

jadavpur, ghost, scary, broken glass
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy