Advertisement
E-Paper

এ বার কলকাতায় গ্রেফতার কাউন্সিলর! তোলাবাজির অভিযোগে বেহালার তৃণমূল নেতা সুদীপ পোল্লেকে ধরল পুলিশ

কলকাতা পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লেকে শনিবার বেহালা থেকে গ্রেফতার করল ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ। শনিবারই তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয়েছিল থানায়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০২৬ ২১:৪৫
TMC Councilor Sudip Polley arrested by Kolkata police

গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লে (নীল রঙের পাঞ্জাবি)। — ফাইল চিত্র।

এ বার কলকাতায় গ্রেফতার হলেন তৃণমূল কাউন্সিলর। শনিবার রাতে বেহালা এলাকা থেকে তৃণমূল নেতা সুদীপ পোল্লেকে ধরল ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ। শনিবারই তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয়েছিল থানায়।

কলকাতা পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুদীপ। বেহালা এলাকায় দাপুটে নেতা বলেই পরিচিত তিনি। ১৬ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান পদেও রয়েছেন সুদীপ। জানা গিয়েছে, শনিবার তাঁর বিরুদ্ধে ঠাকুরপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে তার সত্যতা যাচাই করে পুলিশ। সূত্রের খবর, বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরেই সুদীপকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার তাঁকে আদালতে হাজির করানো হবে।

নিউ আলিপুর কলেজে ছাত্র পরিষদ দিয়ে রাজনীতি শুরু সুদীপের। ২০১০ সালে পুরসভা নির্বাচনে জিতে এই ১২৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর হন তিনি। তবে তার আগে বেহালা এলাকায় বাড়ি বাড়ি খবরের কাগজ দিতেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁদের একটা পানের দোকানও ছিল। দাদাদের সঙ্গে সেই দোকানও চালাতেন সুদীপ। ২০১০ সাল থেকে ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টানা কাউন্সিলর তিনি। কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজের রাজনৈতিক গুরু মনে করতেন সুদীপ। স্থানীয় সূত্রে খবর, শোভনের ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিতি থেকেই পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিট পান তিনি। পরে শোভনের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব তৈরি হওয়ার সময় থেকেই কলকাতার বর্তমান মেয়র তথা প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন বলেও সূত্রের খবর।

জানা গিয়েছে, এক ব্যবসায়ী সুদীপের নামে থানায় তোলা চাওয়ার অভিযোগ করেন। ওই ব্যবসায়ীর দাবি, তাঁর কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল। যদি সেই টাকা না-দেন তবে তাঁর দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন ব্যবসায়ী। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার নির্দিষ্ট ধারায় এফআইআর দায়ের করে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ।

ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রেফতার হচ্ছেন তৃণমূলের নানা স্তরের নেতানেত্রীরা। আর্থিক দুর্নীতি, সরকারি অর্থ নয়ছয়, হিসাব বহির্ভূত আয়, সাধারণ মানুষকে হুমকি, মারধর। কেউ কেউ অবশ্য ভোট-পরবর্তী বা পূর্ববর্তী হিংসায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত বলে অভিযোগ। ধৃতের সংখ্যা গত সাত দিনে ৭০ জনের বেশি। এ বার কলকাতা পুরসভার কোনও কাউন্সিলর গ্রেফতার হলেন।

extortion case TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy