ঘণ্টাখানেকের ঝড়বৃষ্টিতে রবিবার সকালে কলকাতার বেশ কিছু জায়গায় জমেছে জল। কোথাও ভেঙে পড়েছে গাছ। চাঁদনি চকের রাস্তায় একটি গাছ ভেঙে পড়ায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল যান চলাচল। গাছটি একটি বিদ্যুতের তারের উপরে ভেঙে পড়ে। সে কারণে উদ্বেগ তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান পুরসভা, সিইএসই-র কর্মীরা। প্রায় ৪৫ মিনিটের চেষ্টায় সরানো হয় সেটি। এমনিতে রবিবারে রাস্তায় যানবাহন খুব একটা নেই। সে কারণে যানজট তেমন তৈরি হয়নি। তবে কিছু এলাকায় জল জমে দুর্ভোগ হয়েছে মানুষজনের।
পূর্বাভাস ছিল, সেই মতো রবিবার সকালে আকাশ কালো করে ঝড়বৃষ্টি হয় কলকাতা-সহ আশপাশের অঞ্চলে। ঘণ্টাখানেকের টানা বৃষ্টিতে জল জমে শহরের বেশ কিছু অংশে। পাটুলি, যাদবপুর, কসবা, শিয়ালদহের কিছু এলাকা জলমগ্ন। তবে তার মধ্যে অনেক জায়গাতেই জল নামতে শুরু করেছে। জল ঢুকে গিয়েছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ভিতরে। জল জমেছে কাঁকুরগাছিতেও।
আরজি কর হাসপাতাল চত্বর। রবিবার। ছবি: সংগৃহীত।
রবিবার কলকাতার রেড রোডে বিশ্ব যোগ দিবসের কর্মসূচিতে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সে সময় যদিও কলকাতায় বৃষ্টি ছিল না। সকাল ১১টা নাগাদ শুরু হয় বৃষ্টি। রবিবার রয়েছে ডাক্তারির প্রবেশিকা নিট। দুপুর ২টো থেকে শুরু হওয়ার কথা পরীক্ষা। ঝড়বৃষ্টির কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছোতে সমস্যা পড়তে হয়েছে বহু পরীক্ষার্থীকে। তবে স্কুল, কলেজ, অফিস বন্ধ থাকায় নিত্যযাত্রীদের আর সমস্যায় পড়তে হয়নি। তৈরি হয়নি যানজটও।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে রবিবার বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। এই চার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া, দক্ষিণবঙ্গের বাকি সব জেলাতেই আপাতত বৃষ্টি চলবে। কলকাতায় ঝোড়ো হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার।