Advertisement
E-Paper

ফল প্রকাশের পরেও বাহিনী থাকুক, কমিশনে আর্জি বামেদের

ভোট গণনার পরেও কয়েক দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আর্জি জানাল বামফ্রন্ট। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা সিঙ্গুরের প্রার্থী রবীন দেবের নেতৃত্বে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরা শনিবার রাজ্যের উপ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অমিত রায়চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করে ওই দাবি জানান।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০১৬ ০৩:২৪

ভোট গণনার পরেও কয়েক দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আর্জি জানাল বামফ্রন্ট। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা সিঙ্গুরের প্রার্থী রবীন দেবের নেতৃত্বে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরা শনিবার রাজ্যের উপ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অমিত রায়চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করে ওই দাবি জানান। রবীনবাবু পরে বলেন, ‘‘গত ভোটের ফল প্রকাশের আগেই কমিশন সর্বদলীয় বৈঠক ডেকে জানিয়ে দিয়েছিল, ভোটের পরেও ১০-১১ দিন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এ বার এখনও কমিশন সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেনি। তাই আমরা ওই দাবি জানিয়েছি।’’

রবীনবাবুর অভিযোগ, ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে। ঘরবাড়ি ভাঙা হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে তাঁর দাবি, ‘‘আগামী ২১ মে পর্যন্ত পুলিশ-প্রশাসন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে ভোট পরবর্তী হিংসার বিষয়টিও তাদের দেখতে হবে।’’ রবীনবাবুর আরও বক্তব্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীনই বামফ্রন্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি বিধি ভঙ্গের অভিযোগ জানিয়েছে। কিন্তু কমিশন সেগুলির উত্তর এখনও দেয়নি। বাম প্রতিনিধিদের দাবি,

ভোট গণনার আগেই ওই অভিযোগগুলি নিয়ে কমিশনকে মতামত জানাতে হবে।

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে চিন্তিত বিজেপি-ও। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ দিন বলেন, ‘‘এখন বিরোধীদের উপর হামলা হচ্ছে। পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকছে। ১৯ মে ভোটের ফল যা-ই হোক, রাজ্যে যেন শান্তি থাকে। শান্তি রাখতে হলে পুলিশকে সক্রিয় হতে হবে।’’ প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও কিছু দিন রেখে দেওয়ার পক্ষে তাঁরাও সওয়াল করতে পারেন বলে দিলীপবাবু জানিয়েছেন। তবে পুলিশ নিষ্ক্রিয় থাকলে বাহিনী দিয়েও লাভ হবে না বলে তাঁর মত। ভোটের ফল প্রকাশের পরও হিংসা বন্ধ না হলে বিজেপি কী করবে? দিলীপবাবুর জবাব, ‘‘আমরা আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়াব। দলের পক্ষ থেকে হামলা মোকাবিলা করব। আর রাজ্যপাল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করব।’’

ভোট প্রক্রিয়ার মধ্যেই শুক্রবার তৃণমূল প্রভাবিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সম্মেলনে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের দুই কর্মীর যোগদান নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মহাজাতি সদনে ওই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের মহাসচিব এবং শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর অভিযোগ, ওই সম্মেলনে যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের বেশির ভাগই ভোট প্রক্রিয়ায় যুক্ত কর্মী। অনেকের আবার ভোট গণনার দিনও দায়িত্ব থাকবে। এ রকম সময়ে তাঁদের ওই সম্মেলনে যাওয়ায় নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ হয়েছে। এ ব্যাপারে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy