ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
সিভি আনন্দ বোস কেন হঠাৎ রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন? তা নিয়ে রবিবার ফের প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আনন্দ বোসের ইস্তফার সঙ্গে রাষ্ট্রপতি-বিতর্ককেও জুড়ে দেন তিনি। মমতার বক্তব্য, রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানানোর জন্য রাজ্যপালেরই যাওয়ার কথা ছিল। এরই মধ্যে আনন্দ বোস কেন আচমকা ইস্তফা দিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন মমতার।
রবিবার ছিল মমতার ধর্নার তৃতীয় দিন। তৃতীয় দিনের সভার শেষ পর্বে মমতা বলেন, “কালকের গেমটা তো প্রিপ্ল্যান্ড ছিল। আমি মাননীয় রাষ্ট্রপতি মহাশয়ার কোনও দোষ দিই না। এটা বিজেপি গেমপ্ল্যানটা করেছিল ওদের কোনও প্রাইভেট সংস্থাকে দিয়ে।”
রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে বিতর্কের সঙ্গে রাজ্যপালের আচমকা ইস্তফার প্রসঙ্গও জুড়ে দেন তিনি। কেন্দ্রকে বিঁধে মমতা বলেন, “হঠাৎ করে ওনাকে (আনন্দ বোসকে) সরালেন কেন? সেই দিন তো ওনার কথা ছিল বাগডোগরায় রাষ্ট্রপতিকে রিসিভ করার। আমি জানতাম। এটাই কনফার্ম প্রোগ্রাম ছিল। হঠাৎ দিল্লি ডেকে নিয়ে গিয়ে ভয় দেখিয়ে ইস্তফা দেওয়ালেন কি? প্রশ্ন তো থাকবেই।”
রাজ্যপালের পদ থেকে আনন্দ বোস কেন ইস্তফা দিলেন, তা নিয়ে অনুসন্ধানেরও দাবি তোলেন মমতা। একই সঙ্গে উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে জগদীপ ধনখড়ের ইস্তফার কারণও অনুসন্ধান করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। তবে ইডি বা সিবিআই-কে দিয়ে নয়, মমতা চান রাজ্যের সিআইডি-কে দিয়েই এই অনুসন্ধান করানো হোক।
মমতা বলেন, “অনেক মহিলার ভোট (ভোটারের নাম) কেটেছে। বিজেপি অ্যান্টি-মহিলা দল। মহিলাদের ভোট ধরে ধরে কেটেছে। আমার পরিবারেরও একটি মেয়ের বিয়ে হয়েছে। তাঁর নামও কেটে দিয়েছে। কেন বলুন তো! বিয়ে করে স্বামীর নাম ব্যবহার করছে, বাড়ির ঠিকানা বদলেছে। আমার মাথায় কিছু ঢোকে না। এরা ভারতীয় সংস্কৃতি জানে! এক একটি রাজ্যে এক একটি পরম্পরা আছে। ওরা নাকি এই রাজ্যকে ‘সুনার বাংলা’ করবে। কী ভাবে করবে? ‘বঙ্কিমদা’, ‘স্বামী রামকৃষ্ণ’, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙে— শ্রীরামপুরে মিটিং করতে গিয়ে লিখছে শীরেমপুর। না জানে ভাষা, না জানে জায়গা, না জানে ইতিহাস। টেলিপ্রম্পার না থাকলে হেলিকপ্টারে উড়ে চলে যাবে। আমাদের দাবি একটাই, মানুষকে ভোটাধিকার দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের নামে ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারো না”
বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, “মা বোনেরাই আপনাদের ভাল করে কষা মাংস খাইয়ে দেবে। ক্ষীরের পায়েস খাইয়ে ভাইয়েরা তো আছেই। মা-বোনেদের নাম কেটে যদি ভাবেন ওরা সব ভুলে যাবে আর ছেড়ে দেবে। তার পরেই আপনারা তিনটি গুলি ফায়ার করবেন। এখন ফায়ার করছেন এক্সট্রা ফায়ার এসআইআর। একসঙ্গে করছেন জনগণনা, সিএএ-র নামে বদমায়েশি, এসআইআর, এর পরে আসবে এনআরসি। সে দিন আপনাদের যাঁদের নামও থাকবে, তাঁরা আদৌই সুরক্ষিত কি না, একটু বিচার করে দেখবেন।”
মমতা বলেন, “আনন্দ বোসের সঙ্গে আমার এখনও কথা হয়নি সেই ভাবে। হঠাৎ করে ওনাকে সরালেন কেন? সেই দিন তো ওনার কথা ছিল বাগডোগরায় রাষ্ট্রপতিকে রিসিভ করার। আমি জানতাম। এটাই কনফার্ম প্রোগ্রাম ছিল। হঠাৎ দিল্লি ডেকে নিয়ে গিয়ে ভয় দেখিয়ে ইস্তফা দেওয়ালেন কি? প্রশ্ন তো থাকবেই। রিপ্লাই আপনাকে দিতে হবে। ভাবছেন কি নিজের ‘ইয়েসম্যান’ নিয়ে আসবেন! আর কত ‘ইয়েসম্যান’ চাই!”
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “পর্দা কা পিছা মে কেয়া হ্যায়! ছুপা রুস্তম হ্যায়। ওহ ছুপা রুস্তম এজেন্সি চালাতে হ্যায়।” বিজেপি-কে বিঁধে তিনি আরও বলেন, “এত করেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসতে পারেনি। আমি শুনেছি কাউকে কাউকে ভয় দেখাচ্ছে, কথা না শুনলে ইমপিচমেন্ট করে দেবে। দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাই নেই, ইমপিচমেন্ট করবে কোথা থেকে! লেজুড় ধরে তো ক্ষমতায় আছো, কয়েকটা লোভী লোককে নিয়ে এবং কয়েক জনকে লোভ দেখিয়ে।”
মমতা আরও বলেন, “কালকের গেমটা তো প্রিপ্ল্যান্ড ছিল। আমি মাননীয় রাষ্ট্রপতি মহাশয়ার কোনও দোষ দিই না। এটা বিজেপি গেমপ্ল্যানটা করেছিল ওদের কোনও প্রাইভেট সংস্থাকে দিয়ে। আমরা বারণ করেছিলাম, (বলেছিলাম) যে এরা পারবে না।”
ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বলেন, “গভর্নরকে চলে যেতে হল কেন? একটা এনকোয়ারি হয়ে যাক! তাঁর তো তিন বছরের মেয়াদ ছিল। ধনখড় উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হল কেন? একটা এনকোয়ারি হবে নাকি? সিবিআই-কে দিয়ে তো আপনার পক্ষে করিয়ে লাভ নেই। ইডি-র সবাই খারাপ বলে আমি মনে করি না। কিন্তু ওরা চাপ দেয়। আপনি আমাদের সিআইডি-কে দায়িত্ব দিন, আমরা করে দিচ্ছি। ধনখড়জিও এ রাজ্যের রাজ্যপাল ছিলেন। কাজের সময় কাজি, কাজ ফুরোলেই পাজি। এটাই তো! তাঁকে দিয়ে আমাকে কত গাল দিইয়েছেন। আমার কত ফাইল, কত বিল আটকেছেন। তা-ও আমি একটা সৌজন্য বজায় রাখতাম।”
মমতা বলেন, “সবচেয়ে বেশি ভোট পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেটেছেন। কই বিহারে তো লজিস্টিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে মিসক্রিপেন্সি নেই! এটা তো প্ল্যান্টেড গেম। ভোটের আগেই ভোট করে দিচ্ছেন। তাও পারবেন না। এই ভোটার তালিকায় যদি নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হন, তা হলে এই ভোটার লিস্টের ভোটারেরা কেন (ভোট) দেবেন না! তা হলে নরেন্দ্র মোদীকে আগে পদত্যাগ করা উচিত। মিস্টার ভ্যানিশ কুমার, আপনার প্রধানমন্ত্রীকে বলুন পদত্যাগ করতে। জনগণের ভোটে জিতেছে। তা হলে কিসের লজিস্টিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি! বিহারে, অসমে বা অন্য জায়গায় নেই, যত মাথাব্যথা পশ্চিমবঙ্গে। আমি তো বলি ওদের হ্যাংলা। দখল করতে বাংলা, বিজেপি হয়েছে হ্যাংলা। কোন পর্যায়ে নামেনি। কোথায় বাকি আছে। প্রতিদিন বাবুরা আসছেন। সব হোটেল বুক। টাকার থলি নিয়ে আসছেন প্লেনে প্লেনে। যত সাংবিধানিক পদ আছে, সব বিজেপি বেচতে আসছে। তার পরে তো এজেন্সি আছেই।”
রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ফের কেন্দ্রকে নিশানা করেন মমতা। তিনি বলেন, “গ্যাস নাই। গ্যাস চাইতে গেলে ২১ দিন আগে বুক করতে হবে। যদি গ্যাস আজ ফুরিয়ে যায় ওই চুলোটাও পাবেন না। তার জন্য জঙ্গলে যেতে হয়ে কাঠ কাটতে। কেরোসিন তেল নেই যে স্টোভে করবেন। কোথায় যাবেন! আমেরিকা-রাশিয়া থেকে তেল আনবেন, আনুন। দেশের জন্য প্রয়োজন। কিন্তু কত তেল কত কড়ি দিয়ে আনবেন, সেই কানা কড়িটা কাকে দিতে হবে? সাধারণ মানুষকে। ওখানে পাঁচ টাকা দিলে জনগণকে দিতে হবে ১০ টাকা। তেল, গ্যাসের দাম বাড়লে স্বাভাবিক ভাবে অন্য জিনিসের দাম বেড়ে যায়। তার মানে আপনারা সাধারণ মানুষের জন্য চিন্তা করেন না।”
রাষ্ট্রপতি-বিতর্কে ফের প্রতিক্রিয়া দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বাগডোগরায় রাষ্ট্রপতিকে রিসিভ করার কথা ছিল আনন্দ বোসের। এটাই কনফার্ম ছিল। কেন দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে রিজাইন করালেন? রাষ্ট্রপতিকে দোষ দিই না। কালকের গেমটা প্রিপ্ল্যানড ছিল।”
মমতা বলেন, “স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, একতাই শক্তি। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব বলেছেন, যত মত তত পথ। আমি শুনেছি বিজেপি একটা বিচ্ছিরি প্রচার করছে। আমি প্রত্যেক ভাষাকে সম্মান জানিয়ে, সব রাজ্যের মানুষকে সম্মান জানিয়ে বলছি— যাঁরা এখানে থাকেন তাঁরা আমাদের চেয়েও বেশি দুর্গাপুজো করেন। তাঁদের উৎসবে আমরা যাই, তাঁরাও আমাদের উৎসবে আসেন। তাঁদের কাছে বলা হচ্ছে, আমি নাকি মুসলিমদের বাংলায় ঢুকিয়ে দিয়েছি। এঁরা আছেন স্বাধীনতার সময় থেকে। আমি থোড়াই দেশটাকে ভাগ করেছি! তখন জন্মেছিলাম?”
এর পরেই বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, “যখন দেশের স্বাধীনতার লড়াই হচ্ছিল তখন আপনারা কোথায় ছিলেন? আপনারা ব্রিটিশদের দালালি করতেন। গান্ধীজিকে গুলি করে কে মারলেন। বড় বড় কথা। যাঁদের কিছু বলার থাকে না, তাঁরা উল্টোপাল্টা বলেন। এঁদের সাইকায়াট্রিক প্রবলেম আছে। আপনি যতই ভাল কথা বলুন, বুঝবে না। ইতিহাস বইয়ে সব বাদ, আবার বিচারবিভাগকেও চোর বলেছিল। বিচারপতি নিজে ওই এনসিইআরটি-র বইটাকে বন্ধ করে দিয়েছেন। সব ইতিহাস ভুলিয়ে দিয়েছে। রামকৃষ্ণ, দেশবন্ধু, ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল চাকি নেই। গান্ধীজিও নেই। একশো দিনের কাজের প্রকল্প থেকে গান্ধীজির নাম তুলে দিয়েছে। যে দিন তুলেছে তার আধ ঘণ্টার মধ্যে আমরা মহাত্মাশ্রী প্রকল্প করছি।”
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা জনগণমন-র কথাও স্মরণ করান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কতটা তীক্ষ্নবুদ্ধি, তীক্ষ্নজ্ঞান এবং দেশকে ভালবাসা থাকলে পুরো দেশকে জড়িয়ে নিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের কথাগুলি লেখা যায়। শুরু করলেন পঞ্জাব থেকে, শেষ করলেন বঙ্গতে এসে। পঞ্জাবে সেই সময় জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড হয়েছিল। আর বঙ্গতে কেন শেষ করলেন? সবচেয়ে বড় লড়াইটা করেছিল বাংলা।”
নাম না-করে বিজেপিকে বিঁধে মমতা বলেন, “এরা হিন্দু-মুসলমান করে। এক বারও ভেবে দেখেছে, নজরুল ইসলাম কত শ্যামাসঙ্গীত রচনা করেছিলেন! যখন স্বাধীনতা সংগ্রাম হচ্ছিল, তিনিই লিখেছিলেন কারার ওই লৌহ কপাট, অথবা ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যাঁরা জীবনের জয়গান। এমন অনেক আছে। নজরুল একটা বার্তা দিয়েছিলেন। যদি তিনি সাম্প্রদায়িক হতেন, তা হলে কী করে এটা বলবেন! তাঁর কবিতায় কোরান, পুরাণ, বেদবেদান্ত, বাইবেল, ত্রিপিটক, গ্রন্থসাহেব, জেন্দাবেস্তা— কতগুলি ধর্মগ্রন্থকে একত্রিত করেছেন।”
মমতা বলেন, “আমি কবি নজরুলের কথা বলি, সাম্যের গান গাহি। আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনও ভেদাভেদ নাহি। বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর। অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।”
মমতা বলেন, “যেহেতু অনেকে ইন্ডিয়ার খেলা দেখবেন, তাঁদের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য প্রোগ্রামটা সাড়ে ছটায় শেষ করে দেব। যাতে খেলা দেখতে পারে।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস। আমরা এমন একটি সমাজে বাস করি, এক একটি তারিখ, এক এক জনের জন্য নির্ধারিত হয়। কোনওটি শিশু দিবস, কোনওটি মাদার্স ডে, কোনওটি ভ্যালেন্টাইন্স ডে। এখন নানান রকম আছে। আমরা সবগুলি সকলের মতো করে মেনে নিই, নিয়ে (পালন) করি। তো আজকে মহিলা দিবস। কিন্তু ভাইদের বাদ গিয়ে কি বোনেরা চলতে পারে! রাখিবন্ধন, ভাঁইফোঁটা— ভাই এবং বোন দু’জনকেই চাই।”
শশী পাঁজার বক্তৃতা শেষে ধর্নামঞ্চে চলছে কবিতাপাঠ। মুখ্যমন্ত্রী মমতার লেখা একটি কবিতা পাঠ করা হয় মঞ্চে। মমতা জানান, কবিতাটি এসআইআর প্রসঙ্গে এবং বাংলাদেশ থেকে ফেরত আনা সুনালি খাতুনকে নিয়ে।
রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ে ফের কেন্দ্রকে তোপ দাগল তৃণমূল। রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, “আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ভারতীয় মহিলাদের উপহার দিল। গ্যাসের দাম ৬০ টাকা করে বাড়িয়ে দিল। তার ধিক্কার জানাতে হবে না! তাই কালো পোশাকে পরে এলাম আমরা।”
অসীমা পাত্র মঞ্চে বক্তৃতার সময়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রবিবারের মতো সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সভা শেষ হবে। তিনি বলেন, “অসীমা একটু শর্ট করো (সংক্ষেপে বলো)। অন্যরা আছেন। আজ সাড়ে ৬টায় মিটিং শেষ হবে।”
এ বার প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতিকে ‘অপমান’ করার অভিযোগ তুললেন মমতা। ধর্নামঞ্চে তৃণমূল সাংসদ জুন মালিয়া এবং মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদাকে একটি ছবি দেখাতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, লালকৃষ্ণ আডবানীর পাশের চেয়ার বসে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ওই ছবি দেখিয়ে মোদীর উদ্দেশে মমতা বলেন, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি এক জন মহিলা এবং আদিবাসী। তাঁকে সম্মান দেন? তা হলে বলুন, কেন রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে রয়েছেন, আর আপনি বসে আছেন?”
গ্যাসের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে কালো শাড়ি পরে প্রতিবাদ মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের। রবিবার সকালে প্রথমে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে বিক্ষোভ দেখান রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যেরা। ছিলেন সাংসদ মালা রায়, বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পরে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নামঞ্চেও হাতাখুন্তি বাজিয়ে গ্যাসের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদ করেন তাঁরা।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy