Advertisement
E-Paper

ভোটের আগে নজর স্কুলের পরিকাঠামোয় 

সরকারি সূত্রের অবশ্য দাবি, ভোটকেন্দ্রের পরিকাঠামো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা রয়েছে। তা মেনেই এই কাজ করা হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে পরিকাঠামোর খামতি থাকা বাকি স্কুলগুলিতেও তা করা হবে।

মধুমিতা দত্ত

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০১৯ ০৩:১৩
যে স্কুলগুলিতে ভোটকেন্দ্র হয় অথচ পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে তাদের জরুরি ভিত্তিতে পরিকাঠামো উন্নয়নে টাকা দেওয়া হচ্ছে।

যে স্কুলগুলিতে ভোটকেন্দ্র হয় অথচ পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে তাদের জরুরি ভিত্তিতে পরিকাঠামো উন্নয়নে টাকা দেওয়া হচ্ছে।

রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে পরিকাঠামোর খামতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ বার ভোটের আগে সেই খামতি দূর করতে তৎপর রাজ্য সরকার। শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, যে স্কুলগুলিতে ভোটকেন্দ্র হয় অথচ পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে তাদের জরুরি ভিত্তিতে পরিকাঠামো উন্নয়নে টাকা দেওয়া হচ্ছে। সরকারি সূত্রের অবশ্য দাবি, ভোটকেন্দ্রের পরিকাঠামো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা রয়েছে। তা মেনেই এই কাজ করা হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে পরিকাঠামোর খামতি থাকা বাকি স্কুলগুলিতেও তা করা হবে।

রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এ রাজ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত মোট স্কুলের সংখ্যা ৯৩ হাজার ১০৮টি। স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, এর মধ্যে বহু স্কুলেই ভোট কেন্দ্র হয়। তার মধ্যে পাঁচ হাজারের কিছু বেশি স্কুলকে জরুরি ভিত্তিতে অর্থ সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। শৌচাগার, পানীয় জল, র‌্যাম্প, সীমানা দেওয়াল– এ সব উন্নয়নের জন্যই এই অর্থ

বরাদ্দ হয়েছে। ওই স্কুলগুলিতে ভোটকেন্দ্র হয়।

স্কুল শিক্ষা দফতরের এই উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনায় নেমেছেন বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, পরিকাঠামো উন্নয়নের টাকা সব স্কুলকেই দেওয়া উচিত। বিকাশ ভবনের এক আধিকারিক জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, ভোটকেন্দ্রগুলিতে পানীয় জল, শৌচাগার, সীমানার দেওয়াল, র‌্যাম্পের ব্যবস্থা করতেই হবে। তাই জরুরি ভিত্তিতে এই অর্থ সাহায্য দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি আর কোন কোন স্কুলে পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে তারও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সেই সব স্কুলকেও পরবর্তী কালে আর্থিক সাহায্য করা হবে।

রাজ্য সর্বশিক্ষা মিশনের সর্বশেষ রিপোর্ট (২০১৬-’১৭) অনুযায়ী, রাজ্যে সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রায় ৩৫ শতাংশ স্কুলে র‌্যাম্প নেই। সীমানা প্রাচীর নেই প্রায় ৫৮ শতাংশ স্কুলে। পানীয় জল এবং শৌচাগারে রয়েছে বলেও ওই রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়েছে।

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডলের বক্তব্য, ‘‘সর্বশিক্ষা মিশনের রিপোর্টেই রাজ্যের বহু স্কুলে যে পরিকাঠামোগত ঘাটতি রয়েছে তা স্পষ্ট। সারা বছর সে দিকে সরকার নজর দেয়নি। এখন ভোটের আগে বুথ হবে বলে সক্রিয় হচ্ছে।’’ এবিটিএ-র সাধারণ সম্পাদক সুকুমার পাইন বলেন, ‘‘শিক্ষা বাজেটের টাকা খরচ না হয়ে ফেরত যায়। সারা বছর তা ব্যবহার হয় না। এখন বুথ হবে বলে উন্নয়নে অগ্রাধিকার পাচ্ছে কিছু স্কুল। এ কোনও কাজের কথা নয়।’’

Lok Sabha Election 2019 লোকসভা ভোট ২০১৯
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy