ঋণ পরিশোধের কিস্তি জমা না দেওয়ায় ঋণগ্রহীতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের লাগাতার হুমকিদেওয়া এবং হেনস্থা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তাতেও কাজ না হওয়ায় ঋণগ্রহীতার এক আত্মীয়াকে যৌন হেনস্থার হুমকি দেওয়া হয়। এখানেই শেষ নয়। সমাজমাধ্যমে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সেখান থেকে ওই আত্মীয়ার প্রোফাইলেআপত্তিকর বিষয় পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ জমা পড়েছে বিমানবন্দর থানায়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ওই থানা এলাকার এক বাসিন্দা চলতি বছরের শুরুতে অভিযোগ করেন যে, একটি অর্থলগ্নি সংস্থা থেকে তিনি ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ না থাকা-সহ আর্থিক সঙ্কটের কারণে মাঝে মাঝেই ঋণের কিস্তির টাকা শোধ করতে পারছিলেন না। তিনিওই সংস্থাকে সমস্যার কথা জানিয়ে একটি রফা করার জন্যও আবেদন করেছিলেন।
অভিযোগ, তাঁর সমস্যার কথা জানা সত্ত্বেও ঋণের কিস্তি আদায়কারী এজেন্টরালাগাতার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে অনৈতিক ভাবে চাপ দিতে শুরু করেন। অভিযুক্তেরা শুধু ঋণগ্রহীতাই নয়, তাঁর স্ত্রী, দাদা-বৌদি, ভাই-বোনকেও লাগাতার চাপ দিতে থাকেন বলে অভিযোগ। এমনকি,বাদ যায়নি ঋণগ্রহীতার নাবালক সন্তানও। ঋণের কিস্তির টাকা আদায় করতে মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে হুমকি, অশালীন ভাষাপ্রয়োগ থেকে শুরু করে এক আত্মীয়াকে ধর্ষণের হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়। অভিযোগ, সমাজমাধ্যমের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ওই আত্মীয়ার প্রোফাইলে আপত্তিকর, অশালীন পোস্ট করা হয়। ঋণের টাকা শোধ না করলে তাঁকেশারীরিক ভাবে হেনস্থা করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ওই পরিবার আতঙ্কে রয়েছে বলে পুলিশকে জানিয়েছেন অভিযোগকারী। পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক ধারায়মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করাহয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)