Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

চন্দ্রবাবুকে পাশে নিয়ে ধর্না তুললেন মমতা

সেখান থেকেই ঘোষণা হল, ১৩ এবং ১৪ ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে হবে বিরোধীদের পরবর্তী কর্মসূচি।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩১
Save
Something isn't right! Please refresh.
মঞ্চে: চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —নিজস্ব চিত্র।

মঞ্চে: চন্দ্রবাবু নায়ডুর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

সুপ্রিম কোর্টের রায় এসে গিয়েছিল দুপুরের আগেই। আগ্রহ এবং জল্পনা ছিল তিনি ধর্না তুলবেন কি না, তা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্না তুলে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তখন তাঁর পাশে বিরোধী শিবিরের অন্যতম নেতা অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। সেখান থেকেই ঘোষণা হল, ১৩ এবং ১৪ ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে হবে বিরোধীদের পরবর্তী কর্মসূচি।

রবিবার রাত থেকে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্র ‘রক্ষা’র দাবিতে ধর্নায় বসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। রাহুল গাঁধী, শরদ পওয়ার, মায়াবতী, অখিলেশ যাদব, এইচ ডি দেবগৌড়া-সহ বিরোধী জোটের একের পর এক নেতা তাঁকে ফোনে এবং টুইট করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। নায়ডু ছাড়াও মঞ্চে এসেছেন তেজস্বী যাদব এবং কানিমোঝি।

সারদা-কাণ্ডের তদন্তের ব্যাপারে কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের (তখন তিনি ‘সিট’-এর প্রধান ছিলেন) বাড়িতে সিবিআই-এর আচমকা অভিযান আটকে মমতা বিষয়টিকে কেন্দ্র-বিরোধী আন্দোলনের আকার দিয়েছিলেন। তাঁর এই আন্দোলনের জেরে বিরোধী শিবির একজোট হয়ে চন্দ্রবাবুকে এ দিন ২৩টি দলের প্রতিনিধি করে পাঠায় মমতার ধর্নামঞ্চে। সেখানেই চন্দ্রবাবুর সঙ্গে একান্তে বৈঠক হয় মমতার। ওই বৈঠকেই ২৩টি দলের অনেক নেতার সঙ্গে ফোনে কথা হয় তাঁদের। বৈঠক সেরে জোটের তরফে চন্দ্রবাবু অনুরোধ করেন, ‘‘সকলের মত, আপনি ধর্না প্রত্যাহার করুন। আগামী দিনে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দিল্লিতে আপনার এই আন্দোলনকে নিয়ে যাব।’’

Advertisement

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্বন্ধে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিন

বিরোধী জোটের অনুরোধে মমতা ধর্না প্রত্যাহারের ঘোষণা করে বলেন, ‘‘মোদীকে হঠানোর এই যুদ্ধ আমার একার নয়। আমরা সকলে মিলে করছি। ওঁদের সকলের অনুরোধে আপাতত এই ধর্না তুলে নিচ্ছি। আগামী দিনে দিল্লিতে লড়াই হবে। আমি নিজে যাব সেখানে। তবে যতক্ষণ না মোদীর হাত থেকে দেশ স্বাধীন হচ্ছে, ততক্ষণ ছাড়ব না।’’অতীতে বিভিন্ন সময়ে তাঁর দীর্ঘদিনের ধর্না, অনশনের উল্লেখ করে মমতা বলেন, ‘‘আমার ধর্না চালিয়ে যেতে কোনও অসুবিধা ছিল না। একা শুরু করলেও সকলের অনুরোধে তুলে নিচ্ছি।’’

বিকেলে বিজেপি-বিরোধী ২৩টি দলের মুখপাত্র হিসেবে ধর্নামঞ্চে এসে চন্দ্রবাবু মমতাকে আগামী দিনে দেশের অন্যতম নির্নায়ক বলে মন্তব্য করলেন। বিরোধী জোটের অন্যতম কারিগর হিসেবে উল্লেখ করে মমতা সম্পর্কে চন্দ্রবাবু বললেন, ‘‘৪২টি আসন পেলে মমতা আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে নির্নায়ক ভূমিকা নেবেন।’’ একের পর এক পুরনো মামলা দিয়ে সিবিআই তৃণমূল-সহ বিভিন্ন দলকে হেনস্থা করছে বলেও অভিযোগ করেন চন্দ্রবাবু। ধর্নামঞ্চে দাঁড়িয়ে মানুষের কাছে চন্দ্রবাবুর আবেদন, ‘‘রাজ্যের ৪২টি আসনে‌ই মমতাকে জেতান।’’

এ দিন রাজীব কুমার-সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায় আসার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল, মমতা ধর্না তুলে নেবেন কি না, তা নিয়ে। কারণ, আগামী ৭ এবং ৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলন। তার আগে আজ, বুধবার শিল্পপতিদের নিয়ে নৈশভোজ। সেখানে বরাবরই মুখ্যমন্ত্রী থাকেন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী ধর্নায় থাকলে কী হবে, তা নিয়ে নানা মহলেই উদ্বেগ বাড়ছিল। ধর্না ওঠায় তারও অবসান হল।



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement