Advertisement
E-Paper

বিজেপি করায় শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে না, নালিশ তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে

স্থানীয়  সূত্রে খবর, নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের কংকিনিপুর গ্রামের বাসিন্দা দেবব্রত দাসের অভিযোগ, আবেদন করলেও তাঁকে স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে না। প

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২১ ০৬:০৩
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র না দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে। নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বিরুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ওই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে, বিজেপি সমর্থক হওয়ার কারণেই শংসাপত্র দেওয়া হয়নি ওই ব্যক্তিকে। ওই নিয়ে বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের কংকিনিপুর গ্রামের বাসিন্দা দেবব্রত দাসের অভিযোগ, আবেদন করলেও তাঁকে স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে না। পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে একাধিক বার দরবার করেও লাভ হয়নি। বাধ্য হয়ে তিনি নন্দীগ্রাম-২ এর বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি বিজেপি করেন বলেই ইচ্ছা করে তৃণমূল প্রধান তাঁকে স্থায়ী আবাসনের শংসাপত্র দেননি।

অভিযোগ নিয়ে বিরুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুকেশ মান্নার দাবি, ‘‘আমার পঞ্চায়েতে প্রায় ৩০ হাজার লোকের বাস। সবাইকে চেনা সম্ভব নয়। তাই ওঁকে বলেছি পঞ্চায়েত সদস্যর কাছে থেকে চিঠি আনতে। আমি কখনও বলিনি যে শংসাপত্র দেওয়া হবে না। শংসাপত্র পেতে গেলে যে কাগজপত্র দরকার তা তিনি আনছেন না। সেজন্যই ওঁকে শংসাপত্র দিতে পারছি না।’’

স্থানীয় সূত্রে খবর, কংকিনিপুর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য মুক্তিরানি মণ্ডল পঞ্চায়েতর উপপ্রধানও। অভিযোগকারী দেবব্রত দাস এলাকায় বিজেপি কর্মী বলে পরিচিত। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ও পরে উপপ্রধানের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। উপপ্রধানকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। হুমকির জেরে পঞ্চায়েত অফিসে যেতে পারেননি উপপ্রধান। এমনকী এলাকার বেশ কিছু তৃণমূল সমর্থককে ভোট দিতে না যাওয়ার ফতোয়া জারির অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। ফতোয়া জারির ফলে বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ভোটের দিন বুথমুখো হননি। ভোটের আগের দিন থেকে ওই গ্রামের বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী-সমর্থককে আশ্রয় নিতে হয়েছিল বিরুলিয়া বাজারে তৃণমূলের কার্যালয়ে।

দেবব্রত বলেন, ‘‘২ মাস আগে আমার মেয়ে জন্মেছে। তার জন্মের শংসাপত্রের জন্য আমার স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র জরুরি। অনেক অনুরোধ করার পরেও প্রধান শুধুমাত্র বিজেপি করি বলে শংসাপত্র দেননি। তাই বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। উপপ্রধান নিজে বাড়ি ভাঙচুর করে আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

নন্দীগ্রাম-২ এর বিডিও অখিলেশ সাহা বলেন, ‘‘অভিযোগ পেয়েছি। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

BJP TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy