Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

এক শিশু কন্যাকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টার দায়ে পাঁচ বছর কারাদণ্ড হল এক যুবকের। হলদিয়ার দুর্গাচক এলাকার বাসিন্দা ধরমরাজ সোনকার নামে ওই যুবককে শুক্রবার এই কারাদণ্ডের আদেশ দেন পূর্ব মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক কুমকুম সিংহ।

শেষ আপডেট: ৩০ অগস্ট ২০১৪ ০০:২৫

শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, যুবকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

এক শিশু কন্যাকে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টার দায়ে পাঁচ বছর কারাদণ্ড হল এক যুবকের। হলদিয়ার দুর্গাচক এলাকার বাসিন্দা ধরমরাজ সোনকার নামে ওই যুবককে শুক্রবার এই কারাদণ্ডের আদেশ দেন পূর্ব মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক কুমকুম সিংহ। আদতে বিহারের বাসিন্দা ধরমরাজ হলদিয়ার দুর্গাচক নিউ কলোনিতে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। ধরমরাজের বাড়ির পাশেই একটি বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত সাড়ে তিন বছরের ওই শিশু। প্রতিবেশী ওই শিশু প্রায়ই ধরমরাজের বাড়িতে টিভি দেখতে যেত। ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল ওই শিশু ধরমরাজের বাড়িতে টিভি দেখতে যায়। সেই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন ধরমরাজ। ওই শিশুর উপর তিনি যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। ওই শিশুর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত ধরমরাজকে ধরে ফেলে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী শত্রুঘ্ন জানা বলেন, “২০১৩ সালের ১ আগস্ট আদালতে চার্জ গঠন হয়। শুক্রবার বিচারক ধরমরাজকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ৪ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানার টাকা অনাদায়ে অতিরিক্ত দেড় বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।”

প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্মারকলিপি বিডিওকে

তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিডিও’কে স্মারকলিপি দিল ওই পঞ্চায়েতের দলীয় সদস্যরাই। গত ২৫ আগস্ট নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বয়াল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ঝুমা মান্নার বিরুদ্ধে বিডিও’র কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান-সহ ছ’জন তৃণমূল সদস্য। শুক্রবার নন্দীগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রশান্ত দাস, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মলিনা দাস, সহ-সভাপতি বাদল মাইতি’র নেতৃত্বে দুপুরে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বিডিও অফিসের সামনে জড়ো হন। পরে তাঁরা অনাস্থা নিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন। প্রশান্ত দাস বলেন, “পঞ্চায়েত প্রধান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা করছেন না। তাই ওই পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে দলীয় সদস্যরা অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে।” ওই পঞ্চায়েতের প্রধান ঝুমা মান্না বলেন, “পঞ্চায়েতে নিয়ম মেনে কাজ করা হয়। তা সত্বেও আমার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছে বলে শুনেছি। আমাকে দলীয় বৈঠকেও ডাকা হয়নি।”

কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু

গ্যাস ওভেন জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ ঘটে মৃত্যু হল এক শ্রমিকের। জখম চার জন। শুক্রবার দুর্ঘটনাটি ঘটে কেশপুরের আনন্দপুরে মোমবাতি তৈরির কারখানায়। মৃতের নাম সমীর দোলুই (১৮)। জখমদের উদ্ধার করে প্রথমে মেদিনীপুর মেডিক্যালে আনা হয়। পরে তাঁদের কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আনন্দপুরের লেপসায় এই বিস্ফোরণের খবর পেয়ে মেদিনীপুর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন যায়। ঘন্টা দুয়েকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই কারখানাটিতে মোমবাতি ছাড়াও চকোলেটের মোড়ক, কাগজের খাতা তৈরি হত। এ দিন সকাল সাতটা নাগাদ এক শ্রমিক মোম গলানোর জন্য গ্যাস ওভেন জ্বালতে গেলে বিস্ফোরণ হয়। কোনও মতে বাইরে বেরোন নিরূপ রায়, গৌর খাঁ, সুদর্শন দাস, গোবিন্দ দণ্ডপাট। নিরূপবাবুই কারখানার মালিক। সুদর্শন, গোবিন্দরা শ্রমিক। স্থানীয় সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার পর নিজের মোবাইল আনতে কারখানার ভিতরে যান সমীর। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। কারখানার গিয়েছিলেন ডেপুটি পুলিশ সুপার মনোরঞ্জন ঘোষ। পুলিশের অনুমান, পাইপে ফুটো থাকায় গ্যাস লিক্ করে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

দরজা ভেঙে মন্দিরে চুরি

মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটল দাসপুরে। বৃহস্পতিবার রাতে দাসপুর থানার বেলেঘাটাতে একটি শীতলা মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, দুষ্কৃতীরা প্রথমে লোহার গ্রিল ভেঙে মন্দিরে ঢোকে। পরে কাঠের দরজা ভেঙে তিনটি অষ্টধাতুর শীতলা, মনসা ও মা চণ্ডীর বিগ্রহ-সহ তিনটি সোনার জবা ফুল ও দেড় ভরি সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দেয়। শুক্রবার সকালে মন্দিরের দরজা ভাঙা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেয়। এ দিন সকালে এই চুরির ঘটনা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। গ্রাম কমিটির সম্পাদক তাপস মাঝির দাবি, মন্দিরটি প্রায় শতাধিক বছরের পুরোনো। মন্দির থেকে সোনার গয়না, জবা ফুল নিয়ে প্রায় লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী চুরি গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাসপুর থানা এলাকায় ইদানীং চুরির ঘটনা বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় সোনা, গাঁজা পাচারের একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পুলিশ সব জানলেও কোনও কাজ হয়নি।

নতুন কমিটি

মেদিনীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটির সম্পাদক বিনয়দাস মাল। যুগ্ম-সম্পাদক বিদ্যুৎ বসু এবং অজিত কর। পদাধিকার বলে কমিটির সভাপতি জেলাশাসক জগদীশপ্রসাদ মিনা। তিনজন সহ- সভাপতি রয়েছেন। এরমধ্যে পদাধিকার বলে এই পদে এসেছেন জেলা পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ। অন্য দু’জন হলেন আশিস চক্রবর্তী এবং এম বি দে। বৃহস্পতিবার এক বৈঠকের মাধ্যমে জেলা ক্রীড়া সংস্থার এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন হয়। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক সুশান্ত চক্রবর্তী। নতুন কমিটির কোষাধ্যক্ষ তাপস দে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ কমিটির সদস্য সংখ্যা ৪৭। এর মধ্যে ৪২ জন ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy