Advertisement
E-Paper

অনলাইনে কেনাকাটায় লক্ষ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী

অভিনব কায়দায় অনলাইন শপিং সংস্থার নাম করে প্রতারণার জাল বুনে প্রায় ৯৯ হাজার ৮০০ টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পেশায় ওষুধ ব্যবসায়ী দীপঙ্কর তাঁর মেয়ের জন্য একটি প্রতিষ্ঠিত অনলাইন শপিং সংস্থা থেকে পুজোর জামা কিনেছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২০ ০১:১৯
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

করোনা আবহে পুজোর কেনাকাটা সারতে অনেকেই ভরসা রাখছেন অনলাইন ডেলিভারি সংস্থাগুলির উপর। সুযোগ বুঝে নানা লোভনীয় অফারও দিচ্ছে অনলাইন সংস্থাগুলি। প্রতিষ্ঠিত অনলাইন শপিং সংস্থার মাধ্যমে কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রায় এক লক্ষ টাকা খোয়ালেন রেলশহরের এক ওষুধ ব্যবসায়ী।

খড়্গপুরের মালঞ্চ এলাকার বাসিন্দা দীপঙ্কর চৌধুরী এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় খড়্গপুর টাউন থানায় ঘটনাটি নিয়ে অভিযোগও জানিয়েছেন তিনি। অবশ্য এখনও কোনও সুফল পাননি তিনি। অভিনব কায়দায় অনলাইন শপিং সংস্থার নাম করে প্রতারণার জাল বুনে প্রায় ৯৯ হাজার ৮০০ টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পেশায় ওষুধ ব্যবসায়ী দীপঙ্কর তাঁর মেয়ের জন্য একটি প্রতিষ্ঠিত অনলাইন শপিং সংস্থা থেকে পুজোর জামা কিনেছিলেন। সেই জামা ফেরত দিতে গিয়েই দীপঙ্কর প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

অভিযোগ, মেয়ের জন্য কেনা পোশাকটি ছোট হওয়ায় ফের বদলের আবেদন জানান তিনি। এর পরে বাড়িতে আসেন সংস্থার ‘ডেলিভারি বয়’। তবে পোশাকের ট্যাগ ছেঁড়া থাকায় ওই পোশাক ফেরত না নিয়ে, গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দেন ওই ডেলিভারি বয়। সেই মতো গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে ফোন করেন দীপঙ্কর চৌধুরী। তখন কেউ ফোন না ধরলেও পরে একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। ওই অনলাইন শপিং সংস্থার গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের নাম করে ফোনে পোশাকের বিস্তারিত বিবরণ নেওয়া হয়। দীপঙ্কর জানান, তিনি টাকা ফেরত নেবেন জানানোর পরে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়। এর পরে একটি অ্যাপ মোবাইলে ইনস্টল করতে বলা হয়। দীপঙ্কর চৌধুরীর কথায়, “একেবারে গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের ধাঁচেই কথা বলছিল। টাকা ফেরত পাওয়া যাবে ভেবে ওই অ্যাপ ইনস্টল করেছিলাম। তার পরে চার বারে মোট ৯৯ লক্ষ ৮২০ টাকা কেটে নিয়েছে।’’

দিন কয়েক আগেই সুভাষপল্লির বাসিন্দা এক বেসরকারি সংস্থার কর্মী রাকেশ সেনও একটি অনলাইন শপিং সংস্থার বিরুদ্ধে তথ্য গরমিলের অভিযোগ তুলেছিলেন। রাকেশ বলেন, “আমার অনুমতি ছাড়াই আমার বাড়িতে লক্ষাধিক টাকার আসবাব পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে ওই অনলাইন শপিং সংস্থায় আমার প্রোফাইল ঘেঁটে দেখি আমার মোবাইল নম্বর বদলে গিয়েছে। আমি রীতিমতো শঙ্কিত।” অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গ্রাহক-ক্রেতাদের বোকা বানিয়ে এই জালিয়াতি চলায় তদন্তে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে দাবি পুলিশের। খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, “এই অনলাইন প্রতারণা যে ভাবে বাড়ছে তাতে সচেতনতা ও সতর্কতাই বাঁচার একমাত্র পথ।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy