Advertisement
E-Paper

থার্মোমিটারই ভরসা সুপার স্পেশ্যালিটিতে

করোনাভাইরাসে কেউ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, বা কারও শরীরে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা রয়েছে কি না, তা প্রাথমিক জানা যায়  থার্মোস্ট্যাট বা থার্মো স্ক্যানার যন্ত্রে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২০ ০৪:০০
ফাইল চিত্র

ফাইল চিত্র

করোনা আতঙ্কে কাঁপছে রাজ্য-সহ জেলা। সর্দি-কাশি-জ্বরের উপসর্গ দেখা গেলেই সকলে ছুটছেন মহকুমা হাসপাতাল বা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। কিন্তু তাতেই নেই শান্তি। কারণ, জেলার অধিকাংশ সুপার স্পেশ্যালিটি এবং মহকুমা হাসপাতালে বাড়ন্ত থার্মোস্ট্যাট যন্ত্র!

করোনাভাইরাসে কেউ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, বা কারও শরীরে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা রয়েছে কি না, তা প্রাথমিক জানা যায় থার্মোস্ট্যাট বা থার্মো স্ক্যানার যন্ত্রে। হাসপাতালগুলিতে যে বিপুল পরিমাণে রোগী আসে, তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করতে ওই যন্ত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল, হলদিয়া মহকুমা হাসপাতাল, তমলুক জেলা হাসপাতালে এখনও নেই থার্মোস্ক্যানার।

নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি এবং হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে তো থার্মোমিটার দিয়ে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। এদিকে, থার্মোমিটারে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হলে রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা প্রবল। সে ক্ষেত্রে রোগী করোনা আক্রান্ত হয়ে ওই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে। আবার, কোনও কোনও ক্ষেত্রে রোগীদের নিজস্ব বিবৃতির উপর নির্ভর করেই চলছে চিকিৎসা।

এ ব্যাপারে নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুব্রত রায় বলেন, ‘‘দুটি থার্মস্ক্যানার এসেছিল। কিন্তু রামনগর এবং দিঘায় পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা সীমানে যাত্রীদের পরীক্ষার জন্য সে দুটি দিয়ে দিতে হয়েছে। ফলে হাসপাতাল চলছে থার্মস্ক্যানারবিহীন অবস্থাতেই। থার্মস্ক্যানার চেয়ে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি।’’

হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে যথারীতি দেহের তাপমাত্রা মাপতে ব্যবহার করা হচ্ছে সাধারণ থার্মোমিটার। হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার সুমনা দাস গুপ্ত বলেন, ‘‘থার্মস্ক্যানার যত তাড়াতাড়ি আনানো যায়, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’’

জ্বর-কাশি উপসর্গ নিয়ে তমলুক জেলা হাসপাতালে আসা ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অবহেলারও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, ওই উপসর্গের রোগীদের হাসপাতালের বহির্বিভাগে অন্য রোগীদের সঙ্গে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। নেই থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাইচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘করোনা উপসর্গ থাকা ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জেলা হাসপাতালে ব্যবস্থা রয়েছে। তবে থার্মাল স্ক্রিনিং করার জন্য পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’’

এই অবস্থায় করোনা-আতঙ্ক প্রবল হচ্ছে। বাড়ছে সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা। ইতিমধ্যেই হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালের তরফ থেকে ৩৭ জন এবং নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের তরফে ৩০ জনকে হোম আইসোলেশনে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাই বলেন, ‘‘একজনকে হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে তাঁর লালারসের নমুনা পাঠানো হয়েছে।

Coronavirus Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy