Advertisement
E-Paper

শাসক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর কারখানায় দূষণ, নালিশ

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে পিছাবনী সেতুর গা ঘেঁষে বাগদা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা তৈরি করেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। কাঁথি মহকুমা এবং আশপাশের এলাকায় উৎপাদিত বাগদা এখানে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে বিদেশে রফতানি করা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২০ ০৬:৪৪
খালের ধার ঘেঁষে কারখানার প্রাচীর। এই প্রাচীরের গায়ে থাকা নিকাশি নালা দিয়ে খালে বর্জ্য পড়ে দূষণ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। নিজস্ব চিত্র

খালের ধার ঘেঁষে কারখানার প্রাচীর। এই প্রাচীরের গায়ে থাকা নিকাশি নালা দিয়ে খালে বর্জ্য পড়ে দূষণ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। নিজস্ব চিত্র

খালের পাশে গড়ে উঠেছে বাগদা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র। ১১৬ বি জাতীয় সড়কের পাশে পিছাবনী সেতুর কাছে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওই কারখানা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। শাসকদল ঘনিষ্ঠ এক বিনিয়োগকারীর বাগদা প্রক্রিয়াকরণের ওই কারখানা থেকে দূষিত বর্জ্য পিছাবনী খালে মিশছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে খালের জল দূষণের পাশাপাশি মাছের ক্ষতি হচ্ছে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে পিছাবনী সেতুর গা ঘেঁষে বাগদা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা তৈরি করেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। কাঁথি মহকুমা এবং আশপাশের এলাকায় উৎপাদিত বাগদা এখানে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে বিদেশে রফতানি করা হয়। ওই কারখানায় স্থানীয় এবং আশপাশের এলাকার প্রচুর লোক কাজ করেন। বাগদা প্রক্রিয়াকরণের পর যে বর্জ্য নির্গত হয় তা পিছাবনী খালে ফেলা হয়। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, কারখানার বর্জ্যের সঙ্গে অন্যান্য বর্জ্যও থাকে। তা খালে মেশায় জল দূষিত হচ্ছে। এতে মাছ মরে যাচ্ছে। এমনকি গত কয়েক বছরের মধ্যে পিছাবনী খালে মাছের পরিমাণ কমে গিয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। বিজেপির রামনগর-২ দক্ষিণ মণ্ডল সভাপতি শচীন্দ্রনাথ দাস বলেন, ‘‘ওই উদ্যোগপতি শাসকদলের ঘনিষ্ঠ। তাই ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে পরিবেশ দূষণের তোয়াক্কা না করেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ প্রশাসন নির্বিকার। দলের তরফে মঙ্গলবার স্থানীয় সটিলাপুর পঞ্চায়েতে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে।’’

প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বাগদা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা তৈরির জন্য শিল্পোন্নয়ন নিগম অনুমোদন দিয়েছে। কারখানার দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের অনুমতি আছে কি না জানার জন্য যোগাযোগ করা হয়েছিল পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। পঞ্চায়েতের প্রধান প্রণব প্রধানকে মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রামনগর-২ এর বিডিও অর্ঘ্য ঘোষ বলেন, ‘‘ওই কারখানা থেকে দূষণ ছড়াচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করার অধিকার আমাদের নেই। তাই ওই সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা সম্ভব নয়। তবে, বিজেপির তরফে আমার কাছে অভিযোগ করা বলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।’’

যদিও কারখানা মালিক মমরেজ আলির দাবি, ‘‘কারখানার বর্জ্য ট্রিটমেন্ট করার পরে তা খালে ফেলা হয়। যাবতীয় নিয়ম মেলেই কারখানা চলছে। অহেতুক এটা নিয়ে ইস্যু করা হচ্ছে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy