দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে সোমবার সকালে হল স্নানযাত্রা। আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দেশের ১০৮টি তীর্থক্ষেত্র থেকে জল এনে স্নান করানো হল জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে। তা দেখতে উপস্থিত হলেন বহু ভক্ত। শৃঙ্খলারক্ষায় মোতায়েন করা হয় পুলিশ বাহিনী।
নিয়ম এবং তিথি মেনে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার পর স্নানযাত্রা শুরু হয় জগন্নাথ মন্দিরে। ১০৮ কলসি জল দিয়ে দেবতাদের স্নান করানো হয়। ১০৮টি তীর্থক্ষেত্র থেকে জলে মেশানো হয় গঙ্গা জল, তুলসী পাতা, কাঁচা দুধ, আতর, চন্দন এবং কর্পূর। পুরোহিতেরা মুখ ঢেকে ভক্তিভরে মন্ত্রোচ্চারণ করে সেই জল ঢালেন বিগ্রহে। স্নানের পর বিগ্রহদের নতুন পোশাকে সাজানো হয়। জগন্নাথ এবং বলরামকে গণেশের রূপে (গজবেশ) এবং সুভদ্রাকে পদ্মবেশে সাজানো হয়। এই গজবেশের নেপথ্যে ভক্ত গণপতি ভট্টের প্রতি ভগবানের কৃপার এক প্রচলিত বিশ্বাস জড়িত।
আরও পড়ুন:
সোমবার দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভক্তেরা গজবেশে ঈশ্বর দর্শন করতে পারবেন। ‘পাহাণ্ডি বিজয়’ শোভাযাত্রার মাধ্যমে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা, সুদর্শন চক্র এবং মদনমোহন বিগ্রহকে মন্দিরের বাইরে স্নানমণ্ডপে আনা হয়। মন্দিরের সামনে উঁচু মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই বসানো হয়েছে বিগ্রহ যাতে দূর থেকেও ভক্তেরা দর্শন করতে পারেন। স্নান যাত্রার পর থেকে জগন্নাথ দেবের দর্শন ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
কোচবিহার মদনমোহন মন্দিরে অনুষ্ঠিত হল স্নানযাত্রা। রীতি মেনে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দুধ, দই, ঘি, মধু, ডাবের জল, গঙ্গা জল এবং ১০৮ ঘটি জল দিয়ে মদনমোহনকে স্নান করানো হয়। উপস্থিত ছিলেন বহু ভক্ত।