Advertisement
E-Paper

স্কুলবাড়িতে বাজ, অসুস্থ ২৩ পড়ুয়া

ক্লাস চলাকালীন স্কুল বাড়িতে বাজ পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল ২৩ জন শিশু পড়ুয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝাড়গ্রামের লোধাশুলি অঞ্চলের ঢেরাগেড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। গুরুতর অসুস্থ সাত পড়ুয়াকে ঝাড়গ্রাম মাল্টি স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:৩৪
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খুদে পড়ুয়ারা। নিজস্ব চিত্র।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খুদে পড়ুয়ারা। নিজস্ব চিত্র।

ক্লাস চলাকালীন স্কুল বাড়িতে বাজ পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল ২৩ জন শিশু পড়ুয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝাড়গ্রামের লোধাশুলি অঞ্চলের ঢেরাগেড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। গুরুতর অসুস্থ সাত পড়ুয়াকে ঝাড়গ্রাম মাল্টি স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, এ দিন দুপুর পৌনে বারোটা নাগাদ স্কুলের একটি ঘরে বিভিন্ন শ্রেণির ২৩ জন পড়ুয়াকে পড়াচ্ছিলেন সহশিক্ষক স্নেহাশিস দে। দু’টি ঘর বিশিষ্ট স্কুলভবনটির সম্প্রসারণের কাজ হচ্ছে। তাই একটি ঘরে মালমশলা মজুত থাকায় অন্য ঘরে শিশু শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পাঁচটি ক্লাস নেওয়া হচ্ছিল। এ দিন দুপুরে টিচার ইনচার্জ সুব্রত সাহা কাছেই একটি দোকানে ওষুধ কিনতে গিয়েছিলেন। ওই সময় আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামে। আচমকা প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ে স্কুলভবনের উপর। সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান হারায় ২৩ জন পড়ুয়া। দেওয়ালে ঠেস দিয়ে বসে থাকা পড়ুয়াদের পিঠ ও শরীরের কিছু অংশ সামান্য ঝলসে যায়। সহ শিক্ষক স্নেহাশিস দে-ও জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। স্নেহাশিসবাবুর কথায়, “ঘোর কাটতেই দেখি মেঝেতে পড়ুয়ারা সংজ্ঞা হারিয়ে পড়ে রয়েছে। চিৎকার করে গ্রামবাসীদের ডাকি। ছুটে আসেন টিচার-ইনচার্জও।” ঘটনাটি জানাজানি হতে প্রশাসনিক মহলে হুলুস্থূল পড়ে যায়। অ্যাম্বুল্যান্সে ও গাড়িতে করে পড়ুয়াদের ঝাড়গ্রাম মাল্টি স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছ’জন ছাত্রীসমেত ৭ জন পড়ুয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বাকি ১৬ জন পড়ুয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

হাসপাতালে পড়ুয়াদের দেখতে যান পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান নারায়ণ সাঁতরা, ঝাড়গ্রামের বিডিও সুদর্শন চৌধুরী, মানিকপাড়া প্রাথমিক চক্রের এসআই চন্দন খুঁটিয়া প্রমুখ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান নারায়ণ সাঁতরা বলেন, “প্রাকৃতিক দুযোর্গজনিত দুর্ঘটনা এড়াতে স্কুলগুলিতে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ করা হবে।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy