Advertisement
E-Paper

অস্থায়ী কর্মীদের ভবিষ্যনিধি প্রকল্প

অবশেষে অস্থায়ী কর্মীদের ভবিষ্যনিধি প্রকল্প (প্রভিডেন্ট ফান্ড) গড়তে উদ্যোগী হল বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ক্ষেত্রে কর্মীরা তাঁদের বেতনের ১০ শতাংশ অর্থ জমা দিলে তার দেওয়া অর্থের উপরে ১০ শতাংশ অর্থ দেবেন কর্তৃপক্ষ। চলতি মাস থেকে প্রকল্প শুরু হওয়ার পরে বেশ কয়েকজন অস্থায়ী কর্মী সাড়াও দিয়েছেন। ধীরে ধীরে সব অস্থায়ী কর্মচারীকেই এর আওতায় আনার চেষ্টা হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জয়ন্তকিশোর নন্দী জানিয়েছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ জুলাই ২০১৪ ০২:১২

অবশেষে অস্থায়ী কর্মীদের ভবিষ্যনিধি প্রকল্প (প্রভিডেন্ট ফান্ড) গড়তে উদ্যোগী হল বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ক্ষেত্রে কর্মীরা তাঁদের বেতনের ১০ শতাংশ অর্থ জমা দিলে তার দেওয়া অর্থের উপরে ১০ শতাংশ অর্থ দেবেন কর্তৃপক্ষ। চলতি মাস থেকে প্রকল্প শুরু হওয়ার পরে বেশ কয়েকজন অস্থায়ী কর্মী সাড়াও দিয়েছেন। ধীরে ধীরে সব অস্থায়ী কর্মচারীকেই এর আওতায় আনার চেষ্টা হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জয়ন্তকিশোর নন্দী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “অস্থায়ী কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতেই এই উদ্যোগ। যাতে সকলে উৎসাহিত হন সেই লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ও কর্মীদের জমা দেওয়া অর্থের ১০ শতাংশ তাঁদের অ্যাকাউন্টে জমা দেবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশির ভাগ শিক্ষক-কর্মী-আধিকারিকই স্থায়ী। তবে তার মধ্যেও প্রায় ৬০ জন অস্থায়ী কর্মী আছেন। এর মধ্যে যেমন শিক্ষক রয়েছেন, তেমনই আছেন শিক্ষাকর্মী। স্থায়ী কর্মীদের জন্য তো সরকারি ভাবে প্রভিডেন্ট ফান্ডের ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে অসংগঠিত ক্ষেত্রেও প্রভিডেন্ট ফান্ড চালুর কথা বলেছে সরকার। তারপরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অস্থায়ী কর্মীরা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। তা নিয়ে নানা মহল থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তারপর কর্তৃপক্ষ প্রভিডেন্ট ফান্ড চালুর ব্যাপারে উদ্যোগী হয়। শ্রম দফতরের সঙ্গে আলোচনাও হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, অনেক কর্মীই সচেতনতার অভাবে সঞ্চয়ের কথা মাথায় না রেখে বেতনের টাকা খরচ করে ফেলেন। প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুযোগ থাকলে ভবিষ্যৎ অনেকটাই সুরক্ষিত হয়। তাই এ বার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সব কর্মীকেই ভবিষ্যনিধি প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে। কোনও কর্মী যদি তাঁর বেতনের ১০ শতাংশ জমা দেন তাহলে সেই টাকার ১০ শতাংশ অর্থ জমা দেবে বিশ্ববিদ্যালয়। অর্থাৎ কোনও কর্মীর বেতনের ১০ শতাংশ যদি ৩ হাজার টাকা হয় তা হলে তাঁর অ্যাকাউন্টে ৩৩০০ টাকা জমা পড়বে প্রতি মাসে। গত জুন মাস থেকে এই ব্যবস্থা চালু হয়। রেজিস্ট্রারের কথায়, “সকলকে প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা গেলে একটি বড় কাজ হবে। তার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করা হচ্ছে।”

temporary employee provident fund scheme medinipur
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy