অনলাইনে ফর্মপূরণের সময় ছাত্রছাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ ডিএসওর। এই অভিযোগে শুক্রবার বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের ডেপুটেশন দিয়েছে তারা। পাশাপাশি, কেশপুর কলেজের একটি ঘটনা নিয়েও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তারা।
ডিএসওর বক্তব্য, ২৯ মে থেকে ২ জুন যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী কেশপুর কলেজের ফর্মপূরণ করেছিল, তাদের যে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিতে হয়, পরে যে সব ছাত্রছাত্রী ফর্মপূরণ করে তাদের অন্য ব্যাঙ্কে টাকা জমা দিতে হয়। জানানো হয়, আগের ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হলে তা গ্রাহ্য হবে না। ডিএসওর প্রশ্ন, কেন এটা হবে। আগে যারা আবেদন করেছে, তাদের ফর্মও গ্রাহ্য করতে হবে। কলেজ কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানান, ২৯ মে থেকে কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরুই হয়নি। দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার ত্রুটির ফলে একটা ঘটনা ঘটেছিল। কয়েকজন আবেদনকারীর টাকা কেশপুর কলেজের অ্যাকাউন্টে জমা না- পড়ে মহিষাদল কলেজের অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে থাকতে পারে। আবেদনকারী যদি টাকা জমা দেওয়ার রসিদ দেখাতে পারে, তাহলে তাকে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এ জন্য নোটিশও দেওয়া হয়েছে। কেশপুর কলেজের টিচার ইনচার্জ সুশান্ত দোলুই বলেন, “একজন ছাত্রের ক্ষেত্রেই এমন একটা ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। এ ক্ষেত্রে পদক্ষেপও করা হয়েছে।’’
স্ত্রীকে খুনে ধৃত। স্ত্রীকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল করল স্বামীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে দাসপুর থানার গৌরা সংলগ্ন পাঁচবেড়িয়া গ্রামের এই ঘটনায় মৃতের নাম সোনালি পারিয়া (৩৫)। শুক্রবার স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য উত্তম মণ্ডলের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ স্বামী দীপু পারিয়াকে গ্রেফতার করেছে। খুনে মদত দেওয়ার অভিযোগে মৃতার মামা শ্বশুর যোগেন হেমব্রমকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আদতে পিংলার বাসিন্দা দীপু বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই স্ত্রীকে নিয়ে মামা যোগেন হেমব্রমের বাড়িতে চলে আসেন। তাঁদের তিন সন্তান।