এই মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপির তিনটে এজেন্সি কাজ করছে। একটা হচ্ছে ভারতের নির্বাচন কমিশন যার মাথার উপর রয়েছে জ্ঞানেশকুমার। যিনি মানুষের নাম কাটতে ব্যস্ত। দ্বিতীয়টি কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী। আর একটি হুমায়ুন কবীর ও আসাদউদ্দিন ওয়েসির মিম আর একটা ডিম। এক দিকে মিম অন্য দিকে ডিম। ওর নাম নিলে সভার পরিবেশ খারাপ হয়। সোমবার জলঙ্গির সাদিখাঁরদিয়াড় ফুটবল ময়দানে নির্বাচনী সভায় এসে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি অধীর ও হুমায়ুনকে এ ভাবেই আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেই সময়ে মঞ্চে বসে ছিলেন তৃণমূলের ডোমকলের প্রার্থী প্রাক্তন পুলিশ কর্তা হুমায়ুন কবীর। সঙ্গে সঙ্গেই অভিষেক বলেন, ‘‘যদিও আমাদের প্রার্থীর নামও হুমায়ুন কবীর, কিন্তু এমন হুমায়ুন কবীর যিনি দক্ষতার সাথে পাঁচ বছর ডেবরার বিধায়ক হয়ে কাজ, দায়ভার সামলেছেন। তাঁকে মুর্শিদাবাদের ডোমকলে বা জলঙ্গির মতো জায়গায় বাবরের মতো তরুণ শিক্ষাবিদ যেমন রয়েছে, তেমন একটু শক্তপোক্ত লোক দরকার যিনি, এই এলাকার আইন-শৃঙ্খলা-সহ মানুষের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সর্বদা নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করবেন।’’
তবে সভার শেষে জেলার আরও দুই বিধানসভার প্রার্থী শাওনি সিংহ রায় ও রানিনগরের প্রার্থী সৌমিক হোসেনকে পাশে দাঁড় করিয়ে তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।
এ দিনের সভাকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মোড়া ছিল গোটা এলাকা। মাঠের পাশেই তৈরি হয়েছিল হেলিপ্যাড। সেখানে নেমেই পায়ে হেঁটে মঞ্চে পৌঁছন অভিষেক। মূলত ডোমকল এবং জলঙ্গির প্রার্থীর হয়ে ওই সভা থেকে ডোমকল এবং জলঙ্গি বিধানসভা এলাকায় তাদের সরকার কী কী উন্নয়ন করেছে তার ফিরিস্তি তুলে ধরেন জনতার সামনে। বিশেষ করে ডোমকল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এবং মহকুমা আদালত ও দমকল কেন্দ্রের প্রসঙ্গ তুলে সিপিএমকে কটাক্ষ করেন তিনি। সেই সঙ্গে তাদের নতুন সরকার গড়ার পরে জলঙ্গিতে আগামী দিনে একটি মিল্ক চিলিং প্লান্ট ও দমকল কেন্দ্র তৈরির প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)