E-Paper

বৃদ্ধার বার্ধক্য ভাতা অন্য অ্যাকাউন্টে, অভিযোগ

শুক্লা দাসের ছেলে রোহিত দাস জানান, সমস্যার সমাধানের জন্য গত কয়েক মাস ধরে তাঁরা শান্তিপুর পুরসভা, স্থানীয় পুর প্রতিনিধি, ব্লক অফিস এবং শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ০৮:০৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

রাজ্য সরকারের বার্ধক্য ভাতা প্রকল্পে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ সামনে এল শান্তিপুরে। শান্তিপুরের আগমেশ্বরীতলা এলাকার বাসিন্দা শুক্লা দাস নামে এক বৃদ্ধার বার্ধক্য ভাতার টাকা প্রায় বছরখানেক ধরে অন্য এক ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছে বলে অভিযোগ। শুক্লা দাস আগে নিয়মিত লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ভাতা পেতেন। ৬০ বছর বয়স অতিক্রম করার পরে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাঁর নাম বার্ধক্য ভাতা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা ছিল। পরিবার সূত্রে দাবি, পরবর্তী কালে নাম বার্ধক্য ভাতা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়। আর এই সময় থেকেই বিপত্তির শুরু। অভিযোগ, বৃদ্ধার আধার নম্বর অন্য এক ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যায়। ফলে, গত কয়েক মাস ধরে বার্ধক্য ভাতার অর্থ ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেই জমা পড়ছে বলে বৃদ্ধার পরিবারের দাবি।

শুক্লা দাসের ছেলে রোহিত দাস জানান, সমস্যার সমাধানের জন্য গত কয়েক মাস ধরে তাঁরা শান্তিপুর পুরসভা, স্থানীয় পুর প্রতিনিধি, ব্লক অফিস এবং শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান হয়নি। এক দফতর অন্য দফতরের উপর দায় চাপাচ্ছে বলেও অভিযোগ। তাঁর দাবি, সরকারি পোর্টালের বেনিফিসিয়ারি আইডিতেও এখনও তাঁর মায়ের নামের বদলে অন্য ব্যক্তির নামই দেখা যাচ্ছে। রোহিত বলেন, “মায়ের প্রাপ্য বার্ধক্য ভাতার টাকা অন্য এক জনের অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বারবার অভিযোগ জানিয়েও সদুত্তর পাচ্ছি না। এত বড় অনিয়ম কী ভাবে চলছে, সেটাই প্রশ্ন।”

শান্তিপুরের পুরপ্রধান সুব্রত ঘোষ বলেন, “এই ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে এলে আমরা তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরে পাঠিয়ে দিই। সমস্যা সমাধানের বিষয়টি প্রশাসনই দেখছে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Santipur

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy