সীমান্ত পাহারা দিতে গিয়ে মৃত্যু মুর্শিদাবাদের জওয়ানের। লাদাখে ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন রানিনগরের বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম। রবিবার সকালে সেনার বিশেষ গাড়িতে তাঁর নিথর দেহ ফিরল বাড়িতে। জওয়ানকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপচে পড়ল ভিড়।
গত শুক্রবার বিকেলে লাদাখে কর্তব্যরত অবস্থায় মারা যান মনিরুল। সেনা সূত্রে জানা যায়, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। চিকিৎসার জন্য তৎপরতার সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। শুক্রবার মনিরুলের মৃত্যুসংবাদ পৌঁছোয় তাঁর বাড়িতে। রবিবার জওয়ানের দেহ নিয়ে আসার খবর পেয়ে কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় জমান রাস্তায়।
আরও পড়ুন:
মনিরুলের স্ত্রী এবং দুই নাবালক সন্তান রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র
রোজগেরের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে নিম্নবিত্ত পরিবারটি। মনিরুলের এক আত্মীয় বলেন, ‘‘ছোট
ছোট ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ কী হবে? ওদের বাবা তো আর নেই,
এখন কে দেখবে পরিবারটাকে?’’ তিনি জানান, সকালে
ভারতীয় সেনার বিশেষ কনভয়ে মনিরুলের দেহ গ্রামে পৌঁছোয়। গান স্যালুট দিয়ে পূর্ণ
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হবে মনিরুলকে।
সেনার শেষযাত্রায় যোগ দিতে এবং শেষ বার চোখের দেখা দেখতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ভিড় করেছেন রানিনগরে। বীর জওয়ানের মরদেহে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করতে উপস্থিত হন স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিক থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টরা।