Advertisement
E-Paper

আবার সে এসেছে ফিরিয়া

লোকসভার আগে থেকে বিরোধীদের প্রশ্ন ছিল— এ বারেও কি পথ শাসন করবে কোদালের হাতল আর উইকেট? আশঙ্কা মিথ্যে করে লোকসভায় সে দু’টির অবশ্য দেখা মেলেনি।

কৌশিক সাহা

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০১৯ ০০:৫৯
পুলিশ উদ্ধার করছে কোদালের হাতল। মাধুনিয়ায়। নিজস্ব চিত্র

পুলিশ উদ্ধার করছে কোদালের হাতল। মাধুনিয়ায়। নিজস্ব চিত্র

তার কদর এবং মহিমা দেখেছিল পঞ্চায়েত ভোট। পাড়ার মোড়ে কিংবা বিডিও অফিস যাওয়ার পথে সে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিল উইকেটকেও। পঞ্চায়েত ভোটে সেই যৌথ-চেষ্টা বিফলে যায়নি। লোকসভার আগে থেকে বিরোধীদের প্রশ্ন ছিল— এ বারেও কি পথ শাসন করবে কোদালের হাতল আর উইকেট? আশঙ্কা মিথ্যে করে লোকসভায় সে দু’টির অবশ্য দেখা মেলেনি।

কিন্তু সোমবার কান্দি বিধানসভার উপনির্বাচনে আবার সে এসেছে ফিরিয়া! তবে একাই। উইকেটের অবশ্য দেখা মেলেনি। এ দিন ভোট চলাকালীন কান্দির যশোহরি-আনুখা ২ নম্বর অঞ্চলের মাধুনিয়া গ্রামের শিবমন্দিরের পাশে ১২৫, ১২৬ ও ১২৭ নম্বর বুথগুলো থেকে মাত্র একশো মিটার দূরে একদল বহিরাগত যুবককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।

সেই খবর পৌঁছয় কংগ্রেস নেতাদের কাছেও। কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে ওই বহিরাগতদের ঘিরে ধরে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছতেই বহিরাগতরা প্রথমে বোঝানোর চেষ্টা করে তারা মুড়ি ও ঘুগনি খাচ্ছে। কিন্তু এলাকায় কংগ্রেস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখতে পেয়ে পুলিশ মাঠের মধ্যে ওই যুবকদের কাছে এগিয়ে যেতেই ওই যুবকেরা একটি বস্তা ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ বস্তা খুলতেই বেরিয়ে পড়ে কোদালের হাতল।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকায় একদল বহিরাগত যুবক এসে অশান্তির চেষ্টা করছিল। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় পুলিশ এলাহায় পৌঁছে যেতেই তারা পালিয়ে যায়। কান্দির কংগ্রেস প্রার্থী শফিউল আলম খান বলেন, “তৃণমূল খড়গ্রাম, সালার, বড়ঞা ও ভরতপুর থেকে বহিরাগতদের নিয়ে এসে বুথ দখলের চেষ্টা করছিল। কংগ্রেস কর্মীরা প্রতিরোধ তৈরি করতেই ওরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।”

যদিও তৃণমূলের প্রার্থী গৌতম রায় বলেন, “কারা ওখানে এসেছিল সেটা আমরা জানি না। জানার কথাও নয়। তবে তৃণমূলকে বহিরাগতদের নিয়ে এসে ভোট করাতে হচ্ছে? এমন অবস্থা তৃণমূলের হয়েছে কি? মিথ্যা অভিযোগ করছে কংগ্রেস।”

তবে ওই যুবকেরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরেও পুলিশ ঘটনাস্থল ছাড়েনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত ভোটের ক্ষত এখনও শুকোয়নি। সে বার তো এই উইকেট-কোদালের হাতল দেখিয়ে মানুষকে ভোটটা পর্যন্ত দিতে দিল না। এ বার আর সেই ঘটনা যাতে আর না ঘটে তার জন্য প্রথম থেকেই গ্রামের লোকজনও সতর্ক ছিলেন।

Kandi কান্দি By-Election Spades WB Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy