Advertisement
E-Paper

ফর্মে সই নেই, পরীক্ষা অনিশ্চিত ১৮ পড়ুয়ার

নিজেদের ভুলে পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে ফরাক্কার সৈয়দ নুরুল হাসান কলেজের ১৮ জন পড়ুয়ার। পার্ট টু পরীক্ষার ফর্মে নিজেদের সই করতে ভুলে গিয়েছিলেন ওই পড়ুয়ারা। তাই কলেজের সব পড়ুয়ার অ্যাডমিট কার্ড এলেও ওই ১৮ জন পড়ুয়া অ্যাডমিট কার্ড হাতে পাননি। কেন মেলেনি অ্যাডমিট কার্ড? ফরাক্কার ওই কলেজের অধ্যক্ষ শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পরীক্ষার ফর্ম পূরণের সময় ফর্মে সই করতে ভুলে যায় অনেক ছাত্রছাত্রী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জুলাই ২০১৫ ০১:০৬

নিজেদের ভুলে পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে ফরাক্কার সৈয়দ নুরুল হাসান কলেজের ১৮ জন পড়ুয়ার। পার্ট টু পরীক্ষার ফর্মে নিজেদের সই করতে ভুলে গিয়েছিলেন ওই পড়ুয়ারা। তাই কলেজের সব পড়ুয়ার অ্যাডমিট কার্ড এলেও ওই ১৮ জন পড়ুয়া অ্যাডমিট কার্ড হাতে পাননি।

কেন মেলেনি অ্যাডমিট কার্ড?

ফরাক্কার ওই কলেজের অধ্যক্ষ শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পরীক্ষার ফর্ম পূরণের সময় ফর্মে সই করতে ভুলে যায় অনেক ছাত্রছাত্রী। একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয় তাদের ফর্মে সই করে যাওয়ার জন্য। তিনি বলেন, ‘‘অনেকেই সই করে গেলেও ওই ১৮ জন তা করে যায়নি। ফলে টাকা জমা নেওয়া হলেও তাদের ফর্ম বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো যায়নি।’’

অধ্যক্ষ অবশ্য ওই সব পড়ুয়াদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তাঁর কথায়, ‘‘গত বছরও এ রকম ভুলের ক্ষেত্রে পরীক্ষার আগের দিন পর্যন্ত ফর্মপূরণ করিয়ে বহু পরীক্ষার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এ বারও তাই আমি কলেজের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করে এই সব ভুল শুধরে নিয়ে ছাত্রদের অ্যাডমিট কার্ড দেওয়ার কথা বলি। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি।’’

এই ধরনের ভুল শুধু ফরাক্কার কলেজেই নয় আরও অনেক কলেজেও ঘটেছে। তারাও সমস্যায় রয়েছেন। এর ফলে ওই সব ছাত্রের একটি করে বছর নষ্ট হবে। তাই তিনি চেয়েছিলেন গত বছরের মতো এ বারও বিশ্ববিদ্যালয় একটু সহানুভূতিশীল হোক। তিনি বলেন, ‘‘এর বাইরে যে আর কিছু করার নেই তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই সব পড়ুয়াদের।’’

ভুক্তভোগী ছাত্রদের একজন ইতিহাসে অনার্সের ছাত্র ইজাজ আহমেদ। তাঁর যুক্তি, ‘‘পরীক্ষার ফি কলেজে জমা দিয়েছি। কিন্তু সই করার বিষয়টি নজর এড়িয়ে গিয়েছে। এখন তো কলেজে নিয়মিত আসি না তাই নোটিশও চোখে পড়েনি। এখন কী করব ভেবে পাচ্ছি না।’’ পাস কোর্সের ছাত্র মহম্মদ হাসানুল্লার কথায়, ‘‘পরীক্ষার ফি বাবদ ৭৭৫ টাকা জমা দিয়ে রসিদ নিয়ে বাড়ি চলে আসি। কিন্তু সই করার বিষয়টি জানতাম না। তাই এই বিপাকে পড়েছি।’’

এ ব্যাপারে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ামক সুভাষ চক্রবর্তী জানান, গতবার এ নিয়ে প্রচণ্ড সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাঁদের। ফর্ম পূরণের সময় চলে গিয়েছে প্রায় দেড় মাস আগে। পরে সময়সীমা ১৩ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়। তা সত্ত্বেও যাঁরা সে ভুল সংশোধন করার চেষ্টা করেননি তাঁদের জন্য নতুন করে কোনও সুযোগ দেওয়া আর সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘‘পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় এই নিয়ম আরও কঠোর ভাবে বলবত্ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy