Advertisement
E-Paper

সাত দিন পেরিয়েও ফেরার অঞ্জন

সাত দিন পরেও কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় কাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত অঞ্জন দত্তকে গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ। অভিযোগ, তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির বড় মাপের নেতা হওয়াতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করছে না। দু’এক জন ছোট মাপের নেতা ও কর্মীকে গ্রেফতার করে আসলে তাঁকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কল্যাণীর এস ডি পি ও রানা মুখোপাধ্যায় অবশ্য বলেন, “অভিযোগ ঠিক নয়। অভিযুক্ত অঞ্জন দত্তের বাড়িতে হানা দিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তল্লাশি চলছে।”

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০০:১২

সাত দিন পরেও কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় কাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত অঞ্জন দত্তকে গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ। অভিযোগ, তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির বড় মাপের নেতা হওয়াতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করছে না। দু’এক জন ছোট মাপের নেতা ও কর্মীকে গ্রেফতার করে আসলে তাঁকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কল্যাণীর এস ডি পি ও রানা মুখোপাধ্যায় অবশ্য বলেন, “অভিযোগ ঠিক নয়। অভিযুক্ত অঞ্জন দত্তের বাড়িতে হানা দিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তল্লাশি চলছে।”

গত মঙ্গলবার বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষাকর্মী, গবেষক, ছাত্র ও ‘শুভানুধ্যায়ী’রা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান বিক্ষোভ করার সময় তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ। সেখানকার সিকিউরিটি ইনচার্জ প্রতাপ কুমার সাঁতরাকে মারধর করা হয়। হেনস্থা করা হয় সুজাতা চৌধুরী নামে এক অধ্যাপিকাকেও। দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উপাচার্য রতন লাল হাংলু আটকে থাকেন তাঁর ঘরে।

পরিস্থিত সামাল দিতে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ওই দিনই আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রসেনজিৎ দেব কল্যাণী থানায় সাত জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তদের তালিকায় থাকা কিশোর বাসফোর, নিত্যরঞ্জন মালো এবং তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্পাদক বিকাশ আচার্যকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পাশাপাশি তদন্তে নেমে এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যমুনা দিন্দা, হর্ষিত বারুই এবং শেফালি মণ্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

কিন্তু প্রধান অভিযুক্ত সারা বাংলা তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি অঞ্জন দত্তকে গ্রেফতার করা হয়নি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ল্যাব এ্যাসিস্টেন্ট পদে কর্মরত। বাড়ি কল্যাণী পুরসভা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিজপুর থানার বাঘমোড় এলাকায়।

সারা বাংলা তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সভাপতি দেবব্রত সরকার বলেন, “অঞ্জন নির্দোষ সেটা একদিন প্রমাণিত হবে। পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করুক। ছোট, বড় নেতা বা কর্মী বলে আমাদের সংগঠনে কিছু হয় না।” তবে অঞ্জনবাবু এখন কোথায়, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই।” এ দিকে, ধৃত বিকাশ আচার্য, কিশোর বাসফোর,নিত্য রঞ্জন মালো, যমুনা দিন্দা, শেফালি মণ্ডল এবং হর্ষিত বারুইকে সোমবার কল্যাণী মহকুমার আদালতে হাজির করানো হলে সাত দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারপতি।

anjan dutta kalyani university ranaghat
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy