E-Paper

দীর্ঘদিন বন্ধ পড়ে ছাত্রী আবাস, সরকারি অর্থ অপচয়ের নালিশ

এই ঘটনাকে সামনে এনে বিজেপির অভিযোগ, পরিকল্পনার অভাবের কারণে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে তারা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬ ০৭:৩৮
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসছে বলে দাবি করছে বিজেপি। সেই আবহেই আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট ব্লকের শিশুবাড়ি এলাকার খিদিরপুর রহমানিয়া হাই মাদ্রাসার পাশে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫০ শয্যার একটি ছাত্রী হস্টেলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে প্রায় দুই একর জমির উপরে নির্মিত এই হোস্টেলটি উদ্বোধনের পরে প্রথম দিকে প্রায় এক বছর চালু ছিল। তবে পরবর্তী কালে ছাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় সেটি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

এই ঘটনাকে সামনে এনে বিজেপির অভিযোগ, পরিকল্পনার অভাবের কারণে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে তারা।

মাদারিহাট বিজেপির ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি সন্তোষ মাহাতো বলেন, “দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হস্টেলটি আজ কোনও কাজে লাগছে না। ভবনটি সরকারি কোনও দফতর বা জনসেবামূলক কাজে ব্যবহার করা হোক। পাশাপাশি, এই প্রকল্পে যদি কোনও দুর্নীতি হয়ে থাকে, তা হলে নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, “সরকার পরিবর্তনের পরে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। এই হস্টেল নির্মাণের ক্ষেত্রেও প্রকৃত প্রয়োজনের পরিবর্তে অন্য উদ্দেশ্য কাজ করেছে বলে আমাদের সন্দেহ। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত এবং দুর্নীতিরসঙ্গে জড়িত কাউকেই রেহাই দেওয়া উচিত নয়।”

অন্য দিকে, খিদিরপুর রহমানিয়া হাই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক নুর আলম আহমেদ বলেন, “প্রথম দিকে হস্টেলটি ভাল ভাবেই চলত। বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্রীরা এখানে এসে থাকত। কিন্তু পরবর্তীকালে আশপাশে নতুন মাদ্রাসা গড়ে ওঠায় আবাসিক ছাত্রীর সংখ্যা কমে যায়। শেষ পর্যন্ত সেই কারণেই হোস্টেলটি বন্ধ হয়ে যায়। ভবনটি সরকারি কোনও কাজে ব্যবহার করা হলে এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন।” যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Madarihat

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy