কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইন নিয়ে বিভ্রান্ত চাষিদেরই একাংশ। চাষিদের মন পেতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য বড় পর্দায় দেখাল বিজেপি। শুক্রবার মালদহের হবিবপুর থেকে ইংরেজবাজার, জেলার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রেই বড় পর্দার ব্যবস্থা হয়েছিল। এ দিনের কর্মসূচিতে ছিলেন অরবিন্দ মেনন, সায়ন্তন বসুর মতো বিজেপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর সুরেই চাষিদের বঞ্চনার অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন তাঁরা। পাল্টা কটাক্ষ করে সরব হয়েছে তৃণমূলও।
সম্প্রতি, কৃষি আইনের বিরোধীতা করে ইংরেজবাজার শহরে মিছিল করে তৃণমূল এবং কংগ্রেস। বিজেপির তরফেও কৃষি আইনের সমর্থনে পাল্টা প্রচার চলছে। এ দিন কৃষকদের উদ্দেশ্যে ভিডিয়ো বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বক্তব্য গ্রাম-গঞ্জে পৌঁছে দিতে জেলায় প্রায় ৩০টিরও বেশি বড় পর্দার ব্যবস্থা হয়। হবিবপুরের জাজইল গ্রামে সেই কর্সূচিতে হাজির ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন, উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। গ্রামবাসীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনেন তাঁরা। ওই গ্রামেই প্রয়াত বিজেপি নেতা নৃপেন মণ্ডলের বাড়িতে দুপুরের খাওয়ার খান নেতারা। এ ছাড়া পুরাতন মালদহে চায়ে পে চর্চার পাশাপাশি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর মূর্তিতে মাল্যদানও করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে বাংলায় অরবিন্দ বলেন, “মানুষ বলছেন বিজেপি আসছে, তৃণমূল যাচ্ছে। তৃণমূল ডুবন্ত নৌকা। সেই নৌকা থেকে সবাই নেমে আসছেন। শুধু পিসি-ভাইপো নৌকায় থেকে যাবেন।”
এদিনই পৃথক কর্মসূচিতে যোগ দেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। শহরে চায়ে পে চর্চা, গ্রামীণ এলাকাতে প্রচারও করেন। মালতীপুরের জনসভায় রাজ্য সরকারকে একাধিক ইস্যুতে সমালোচনা করেন সায়ন্তন। দিনভর কর্মসূচির পর জেলা কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা। আজ, শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য হাজির থাকবেন বলে জানান বিজেপি নেতারা। তৃণমূলের জেলা নেত্রী মৌসম নুর বলেন, “মানুষ বিজেপির সঙ্গে নেই। বিজেপি নেতারা আঁচ পেয়ে জেলায় জেলায় ছুটছেন। তবে তাতে লাভ হবে না।”