প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে দেখা গেল না শিলিগুড়ির বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষকে। রবিবার দুপুরে কাওয়াখালিতে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মাটিগাড়া নকশালবাড়ির প্রার্থী আনন্দময় বর্মণ, ফাঁসিদেওয়ার প্রার্থী দুর্গা মুর্মু, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ির প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায় বক্তব্য রাখেন। দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তাকেও বক্তব্য রাখতে দেওয়া হয়। কিন্তু শঙ্করকে বক্তব্য রাখতে না দেওয়ায় দলের অন্দরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে শঙ্কর ঘোষের কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
আবার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সভামঞ্চের পিছনে এবং বাগডোগরা বিমানবন্দরে শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটি থেকে কর্মীদের পাঠানো নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের একাংশের অভিযোগ, এক সহ সভাপতির ছেলেকে, এক সহ সভাপতির স্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পাঠানো হয়েছে। জেলা কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির এক সদস্যও পাঠানো হয়। এ নিয়ে দলের অন্দরে গত শনিবার রাতেও একবার ঝামেলা হয়েছিল। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর সভা শেষ হওয়ার পর থেকেই ক্ষুব্ধ জেলা কমিটির একাধিক পদাধিকারী। যদিও এ সব নিয়ে দলের কোনও পদাধিকারীই কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটির সভাপতি অরুণ মণ্ডল ফোন না ধরায় বক্তব্য মেলেনি। তবে দলের একদল নেতা জানান, দল সঙ্ঘবন্ধ ভাবে লড়াই করতে চাইছে। সেখানে কিছু লোক উল্টো পথে হাঁটতে চাইছেন বলেই মনে হচ্ছে। এমনটা হলে তো ভোটে জেতা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)