একুশের বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই গরম হচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সাতসকালে বিজেপি কর্মীর বাড়ির জানালা থেকে তাজা বোমা উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মঙ্গলবার সকালে মালদহের চাঁচল থানা এলাকার এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পারদ আরও চরমে উঠে গেল।
বিজেপি সূত্রে খবর, থানা পাড়ার শিবশঙ্কর দাস একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী। তাঁর বাড়ি থেকে দুটি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে। এটা শাসকদলেরই চক্রান্ত বলে বিজেপির অভিযোগ। শিবশঙ্করের স্ত্রী প্রিয়া জানান, তাঁর স্বামীর পাড়ার কারও সঙ্গেই বিবাদ নেই। তিনিও শাসকদলের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে বোমা উদ্ধার করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
এ দিকে বোমা উদ্ধারকে ঘিরে চাঁচলে শুরু হয়েছে তৃণমূল-বিজেপি রাজনৈতিক তরজা। মালদা জেলা বিজেপি কমিটির সম্পাদক দীপঙ্কর রাম বলেন, “চাঁচলে ভাতৃত্বের সম্পর্ক বজায় ছিল। ইতিমধ্যে দু’বছর ধরে এলাকায় বিজেপির প্রভাব পড়ায় যেন তা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।’’
তিনি আরও জানান, মাস খানেক আগে বিজেপির ধরনা মঞ্চ ভাঙার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নানান কর্মসূচিতে বাধার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। চাঁচল সদরের বাজার পাড়া ও থানা পাড়া একটা গেরুয়া গড়। বাসিন্দাদের ভয় দেখানোর জন্যই নাকি তারা এ সব করছে।
পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মালদা জেলা পরিষদের সদস্য তথা জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সামিউল ইসলাম। তিনি বলেন, “চাঁচলে ঘাসফুলই বইছে। চাঁচল বিধানসভায় ঘাসফুলের জয় নিশ্চিত ভেবে বিজেপি শিরোনামে আসার জন্য নিজেরাই নাটক করে এসব করছে। তৃণমুলও থমকে থাকবে না। গোটা ঘটনা দলেকে জানাব। তৃণমূলের ভিত শক্ত রয়েছে চাঁচল বিধানসভায়।’’