কলকাতা হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন ‘চটজলদি’ উদ্বোধন হতে চলেছে বলে জানালেন বিচারপতিরা। শনিবার জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন পরিদর্শন করতে এসেছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তথা সার্কিট বেঞ্চ সম্পর্কিত কমিটির চেয়ারম্যান শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তথা জলপাইগুড়ির জ়োনাল জজ বিশ্বজিৎ বসু। এ দিন স্থায়ী ভবন চত্বর পরিদর্শন করেন বিচারপতিরা। বৈঠকও করেন নির্মাণের দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে। বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, “ভাল অগ্রগতি হয়েছে। আমরা অগ্রগতিতে খুশি। ভবনটি চালাতে যে যে বন্দ্যোবস্ত করা প্রয়োজন, সে সব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আশাবাদী, চটজলদি আমাদের সার্কিট বেঞ্চ শুরু হয়ে যাবে।”
সূত্রের খবর, এপ্রিলের মধ্যে স্থায়ী ভবনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন বিচারপতিরা। গত মাসেই বিচারপতিরা পরিদর্শনে এসেছিলেন। সেই সময়ে ৩১ মার্চ বা তার পরপরই স্থায়ী ভবনের উদ্বোধন করা হতে পারে বলে প্রশাসনিক কর্তাদের জানানো হয়েছিল।
সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন উদ্বোধন হলেও প্রথমেই পুরোদস্তুর বেঞ্চের কাজ হবে না। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর অস্থায়ী ভবনে এখন চারটি বেঞ্চ চলে। প্রথমে আলোচনা হয়েছিল, স্থায়ী ভবন উদ্বোধনের পরে বর্তমান চারটি বেঞ্চের কাজই চলবে। এ দিন অবশ্য বিচারপতি শম্পা সরকার জানিয়েছেন, এখন যে পরিকাঠামোতে বেঞ্চ চলছে, স্থায়ী ভবনের শুরুতে তার থেকে বড় মাপের পরিকাঠামো নিয়ে কাজ হবে। বিচারপতি বলেন, “এখন যে বেঞ্চ চলছে, তার থেকে বড় আকারেই শুরু হবে।” যদিও এ দিন উদ্বোধনের দিনক্ষণ নিয়ে বিচারপতিরা কিছু জানাননি।
এ দিনের বৈঠকে স্থায়ী ভবনের দৈনন্দিন কাজ চালাতে কী কী বন্দ্যোবস্ত থাকা প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্থায়ী ভবন উদ্বোধন হয়ে যাওয়ার পরে রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামতির প্রয়োজন পড়লে কী ভাবে পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, “স্থায়ী ভবনে কাজ শুরু করতে হলে এবং কাজ শুরুর পরে যা যা প্রয়োজন হবে সে সব যাবতীয় বিষয়ে আলোচনা করেছেন বিচারপতিরা।” বিচারপতিরা জানিয়েছেন, আধুনিক পরিকাঠামো নিয়ে বেঞ্চের স্থায়ী ভবনের
কাজ শুরু হবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)