E-Paper

শহরেও কমবে ব্যবধান, দাবি তৃণমূল শিবিরের

কোচবিহার জেলায় নয়টি বিধানসভা রয়েছে। তার মধ্যে কোচবিহার দক্ষিণ, দিনহাটা, তুফানগঞ্জ, মাথাভাঙা এবং মেখলিগঞ্জ বিধানসভার মধ্যে রয়েছে পুরসভা এলাকা।

নমিতেশ ঘোষ

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:২২
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে দেখা গিয়েছে, ভোটপ্রাপ্তিতে শহরে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। তবে গ্রামে দাপট অটুুট রয়েছে তাদের। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, এ বারের ভোটে শহরে পিছিয়ে পড়ার ব্যবধান কমবে তাদের। সেই সঙ্গে গ্রামেরও ভোট বাড়বে। কোচবিহারের তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন গ্রাম থেকে কত লিড হতে পারে, গ্রামের কোথাও পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি না তা নিয়ে এ বারে চলছে তৃণমূলের চূড়ান্ত সমীক্ষা। তবে তা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইছেন না নেতারা।

কোচবিহার জেলায় নয়টি বিধানসভা রয়েছে। তার মধ্যে কোচবিহার দক্ষিণ, দিনহাটা, তুফানগঞ্জ, মাথাভাঙা এবং মেখলিগঞ্জ বিধানসভার মধ্যে রয়েছে পুরসভা এলাকা। প্ৰত্যেকটি পুরসভা দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূলের দখলে রয়েছে। তবে গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে দেখা গিয়েছে, বেশির ভাগ পুরসভায় বড় ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের নিরিখে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় প্রায় পনেরো হাজার ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। ওই বিধানসভা এলাকাতে আবার নয়টি পঞ্চায়েত এলাকা রয়েছে। সেখানে বড় অঙ্কে লিড নেয় তৃণমূল। যার জেরে লোকসভা ভোটের নিরিখে প্রায় সাড়ে সাত হাজার ভোটের ব্যবধানে ওই বিধানসভায় তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে। আবার ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন কোচবিহার পুরসভা এলাকায় বড় অঙ্কের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার জেরে প্রায় পাঁচ হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী।

সে সব কথা মাথায় রেখে এ বারে কোচবিহার শহরে ভোট বাড়াতে বিশেষ নজর দেয় শাসক দল। একই ভাবে দিনহাটা, তুফানগঞ্জ, মাথাভাঙা পুরসভা এলাকাতেও জনসংযোগে জোর দেয় তৃণমূল। কোচবিহার পুরসভার পুরপ্রধান তথা তৃণমূলের টাউন ব্লক সভাপতি দিলীপ সাহা বলেন, ‘‘এ বারে শহরের অনেক উন্নয়ন আমরা করেছি। সেই নিরিখেই আমরা বলতে শহরের ভোটে পিছিয়ে থাকার ব্যবধান এবারে অনেক কমে আসবে। তাতে আমাদের জয় সুনিশ্চিত হবে।’’

তৃণমূলের কোচবিহার জেলার চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, ‘‘এ বারে শহরের ফল অন্য রকম হবে বলেই আশা করছি। কারণ, উন্নয়নের পাশাপাশি লাগাতার মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছি আমরা।’’

বিজেপির কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ‘‘এ বারে শহরের পাশাপাশি তৃণমূল গ্রামেও খারাপ ফল করবে। আমরা বুথস্তর থেকে যে তথ্য পাচ্ছি তাতে এমনই উঠে আসছে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Cooch Behar

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy