Advertisement
E-Paper

কৃষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক

এক কৃষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধছে। ধানের দাম কমে যাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় ঋণগ্রস্ত ওই চাষি আত্মহত্যা করেছেন বলে তাঁর পরিবারের একাংশের অভিযোগ। সিপিএমও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে। অবশ্য পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য ওই দাবি ভিত্তিহীন। বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার ব্রজবল্লভপুরের বাসিন্দা শৈলেশ রায় (৫০) এর মৃত্যু হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০১৫ ০২:১১

এক কৃষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধছে। ধানের দাম কমে যাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় ঋণগ্রস্ত ওই চাষি আত্মহত্যা করেছেন বলে তাঁর পরিবারের একাংশের অভিযোগ। সিপিএমও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে। অবশ্য পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য ওই দাবি ভিত্তিহীন। বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার ব্রজবল্লভপুরের বাসিন্দা শৈলেশ রায় (৫০) এর মৃত্যু হয়।

এদিন বংশীহারি থানায় মৃতের পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, ধানের দাম নেমে যাওয়ায় অবসাদে শৈলেশবাবু আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতের ভাই নির্মল রায়ের বক্তব্য, ‘‘ধানের দাম পাবেন না বলে ক্ষতির আশঙ্কা করেই দাদা আত্মহত্যা করেছে বলে আমাদের সন্দেহ।’’ সিপিএমের জেলা পরিষদ সদস্য রঞ্জন মিশ্রের দাবি, ‘‘অন্যের চার বিঘে জমি লিজ নিয়ে বোরো ধানের চাষ করেছিলেন শৈলেশবাবু। বাজারে প্রায় ১৫ হাজার টাকা ঋণ হয়েছিল।’’ ধানের দাম নেমে যাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কা করে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ওই সিপিএম নেতার অভিযোগ।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ালে প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়। ব্যক্তিগত কারণে ওই চাষি আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক তাপস চৌধুরী বলেন, ‘‘বংশীহারির বিডিও মৃতের বাড়িতে গিয়ে তদন্তে করে এসেছেন। শৈলেশবাবু দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। অবসাদ থেকেই তিনি আত্মহত্যা করেন। ধানের দাম না পাওয়ার আশঙ্কায় ঋণগ্রস্ত ওই চাষির আত্মহত্যার অভিযোগ ভিত্তিহীন।’’

Advertisement

বংশীহারির বিডিও বনমালি রায় বলেন, ‘‘মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ফসলের দাম না পেয়ে আত্মহত্যার কোনও প্রমাণ মেলেনি। বরং দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানসিক রোগে ভুগছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তার মাথায় যন্ত্রণা হতো বলে তার স্ত্রী দীপিকা দেবী জানিয়েছেন। সম্প্রতি তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।’’

মৃতের পরিবারের তরফেও অবশ্য অন্যের জমি লিজ নিয়ে শৈলেশবাবু ধান চাষ করেছিলেন বলে শোনা যায়নি। মৃতের দিদি প্রমীলা রায় জানান, নিজের প্রায় ৩ বিঘে জমি অন্য কৃষককে লিজ দিয়েছিলেন শৈলেশবাবু। অসুখের জেরে তিনি সবসময় চুপচাপ থাকতেন। কারও সঙ্গে বেশি কথাও বলতেন না।’’ তবে কেন ধানের দাম না পেয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে শৈলেশবাবু আত্মহত্যার করেছেন বলে অভিযোগ করা হলো, তার সদুত্তর মেলেনি। বিডিও বনমালীবাবু বলেন,‘‘ ব্লক থেকে মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’’

south dinajpur bangshihari farmer unnatural death farmer sailesh roy
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy