Advertisement
E-Paper

খেলার টুকরো খবর

বালুরঘাটে ইন্ডোর স্টেডিয়াম তৈরির জন্য দু’কোটি ৫২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য ক্রীড়া দফতর। সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক তাপস চৌধুরী বলেন, “ইতিমধ্যে ১ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা চলে এসেছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে শীঘ্রই ওই স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হবে।” এ দিন বালুরঘাটের রঘুনাথপুরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন জেলাশাসক তাপসবাবু। তিনি বলেন, “ওই স্টেডিয়ামের উত্তরদিকের অংশে কয়েক বছর আগে ইন্ডোর স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু সে সময় বরাদ্দ না মেলায় নির্মাণ কাজ থমকে পড়ে।

শেষ আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০১৪ ০২:১৮

ইন্ডোর স্টেডিয়ামের জন্য আড়াই কোটি বালুরঘাটে
নিজস্ব সংবাদদাতা • বালুরঘাট

বালুরঘাটে ইন্ডোর স্টেডিয়াম তৈরির জন্য দু’কোটি ৫২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য ক্রীড়া দফতর। সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক তাপস চৌধুরী বলেন, “ইতিমধ্যে ১ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা চলে এসেছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে শীঘ্রই ওই স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হবে।” এ দিন বালুরঘাটের রঘুনাথপুরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন জেলাশাসক তাপসবাবু। তিনি বলেন, “ওই স্টেডিয়ামের উত্তরদিকের অংশে কয়েক বছর আগে ইন্ডোর স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু সে সময় বরাদ্দ না মেলায় নির্মাণ কাজ থমকে পড়ে। ফলে গত মাসে জেলা প্রশাসন থেকে ইনডোর স্টেডিয়ামের জন্য খসড়া প্রকল্প করে ক্রীড়া দফতরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। বাম আমলে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী বালুরঘাট সফরে এসে বালুরঘাটে আউটডোর স্টেডিয়ামের সঙ্গে একটি অত্যাধুনিক ইন্ডোর স্টেডিয়াম তৈরির প্রকল্পের শিলান্যাস করে যান। পরে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু ওই সামান্য অর্থে স্টেডিয়ামের ভিতটুকুই তৈরি হয়। এর পর রাষ্ট্রীয় সমবিকাশ যোজনা এবং সাংসদ তহবিল থেকে ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। তাতে কিছুটা পাকা নির্মাণ কাজ হয়। কিন্তু পুরো প্রকল্পটি শেষ করতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য জেলা ক্রীড়া সংস্হার তরফে বাম আমলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার দরববার করা হলেও সাড়া মেলেনি বলে অভিযোগ। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক গৌতম গোস্বামী বলেন, “ওই ইন্ডোর স্টেডিয়াম তৈরির বিষয়ে জেলাশাসক এবং জেলার আইন ও বিচার বিভাগের পরিষদীয় সচিব বিপ্লব মিত্রকে জানানো হয়। ”

আজ শুরু আন্তঃজেলা সিনিয়র ফুটবল
নিজস্ব সংবাদদাতা • জলপাইগুড়ি

জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থা পরিচালিত আন্তঃজেলা সিনিয়র ফুটবল প্রতিযোগিতার প্রথম খেলায় যোগ দিচ্ছে বীরভূম এবং উত্তর দিনাজপুর। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় জলপাইগুড়ি টাউন ক্লাব ময়দানে এই খেলা অনুষ্ঠিত হবে। জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রথম জলপাইগুড়িতে জেলা ক্রীড়া সংস্থা পরিচালিত একটি টুর্নামেন্ট নৈশালোকে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব অঞ্জন সেনগুপ্ত বলেন, “জলপাইগুড়িতে এর আগে ২০০৫ সালে একবার আন্তঃজেলা ফুটবলের কেবলমাত্র ফাইনাল খেলা নৈশালোকে হয়েছিল। এবারই প্রথম নৈশালোকে সব ক’টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে।” জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, নৈশালোকে খেলার জন্য রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের উপর নির্ভর না করে সব ক’টি খেলা চালানোর জন্য জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার জন্য শিলিগুড়ি থেকে চারটি জেনারেটর আনা হচ্ছে। এছাড়াও একটি জেনারেটর অতিরিক্ত রাখা হচ্ছে। খেলার মাঠটি আলোকিত করার জন্য জলপাইগুড়ি টাউনক্লাব ময়দানে ছ’টি বাতিস্তম্ভ বসানো হয়েছে। প্রতিটি স্তম্ভে ৩০টি করে মেটাল ল্যাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও আরও পাঁচটি করে বিশেষ আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার উদ্বোধন ম্যাচের খেলা শুরুর আগে দশ মিনিটের একটি নৃত্যানুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রখ্যাত ফুটবলার দিব্যেন্দু বিশ্বাস। জলপাইগুড়িতে মোট দশটি জেলা দল এই ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। চন্দননগরে আর একটি জোনের খেলায় দশটি জেলা দল যোগ দেবে। চলতিমাসের ২৮ তারিখে জলপাইগুড়িতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল খেলা। জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস এবং টাউন ক্লাব স্টেডিয়ামের বাইরের অংশ আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে।

মহিলা ফুটবলের প্রদর্শনী ম্যাচ জলপাইগুড়িতে
নিজস্ব সংবাদদাতা • জলপাইগুড়ি


ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: রাজা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আন্ত:জেলা ফুটবলের আগে দুটি মহিলা ফুটবল দলের মধ্যে একটি প্রদর্শনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হল জলপাইগুড়িতে। জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে সোমবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি টাউন ক্লাব মাঠে এই প্রদর্শনী ফুটবল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এই খেলায় ডুয়ার্সের নাগরাকাটার ডুয়ার্স বাল কল্যান ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ৩-০ গোলে অনূর্ধ্ব ১৯ জলপাইগুড়ির মেয়েদের স্কুল ফুটবল দলকে হারিয়ে দেয়। প্রথমার্ধেই তিনটি গোল হয়। বিজয়ী দলের পক্ষে গোল করেন সুস্মিতা লেপচা, যশোদা ছেত্রী এবং পূজা বার্লা।

রাইফেলের জন্য মন্ত্রীর দ্বারস্থ শ্যুটার
নিজস্ব সংবাদদাতা • শিলিগুড়ি

শ্যুটিংয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে যেতে হলে নতুন এয়ার রাইফেল দরকার। দাম প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। টাকা জোগাড়ের জন্য মন্ত্রী গৌতম দেবের দ্বারস্থ হলেন শিলিগুড়ির শ্যুটার গুড়িয়া রায়। সোমবার উত্তরকন্যায় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy