Advertisement
E-Paper

বাগানে অচলাবস্থা কাটাতে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি শ্রমিকদের

ডানকান গোষ্ঠীর চা বাগানগুলির অচলাবস্থা কাটাতে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রর হস্তক্ষেপ চাইল শ্রমিক সংগঠনগুলি। তাদের আশঙ্কা, পুজোর আগে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বাগানগুলির অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৩:০২

ডানকান গোষ্ঠীর চা বাগানগুলির অচলাবস্থা কাটাতে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রর হস্তক্ষেপ চাইল শ্রমিক সংগঠনগুলি। তাদের আশঙ্কা, পুজোর আগে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বাগানগুলির অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে।

উত্তরবঙ্গে ওই গোষ্ঠীর ১৪টি চা বাগান রয়েছে। যার মধ্যে আটটি বাগান ডু্য়ার্সে। বাগানের অচলাবস্থা শুরু হবার পর থেকে বেশীর ভাগ শ্রমিক নিজেদের বাগানে পাতা তুলে অথবা আশেপাশের বাগান গুলিতে চা পাতা তুলে কোনও মতে সংসার চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ডুয়ার্সের একটি বাগানে শেড ট্রি কাটতে বাধা দিতে গিয়ে এক বাগান কর্তা আক্রান্ত হন। পুজোর পর বাগান গুলিতে আর চা পাতা মিলবে না। সে সময় শ্রমিকদের ঘরে অভাব চরম আকার ধারণ করবে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

এরই সুযোগ নিয়ে অসম সীমান্তবর্তী হওয়ায় উগ্রপন্থীরা বাগানে ঢুকে যুবকদের হাতে অস্ত্র তুলে দিতে পারে বলে শ্রমিক নেতারা মনে করছেন। সে জন্য বাগানের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী, বাগানের মালিক ও প্রভিডেন্ট ফান্ড দফতরের কর্তা সহ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করার জন্য বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠিতে আবেদন জানানো হয়েছে।

শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, ২০০৭ সালে বন্ধ ও রুগ্ন বাগানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন। ডানকান গোষ্ঠীর বাগানগুলি সচল করতে ওই প্যাকেজের অর্থ বরাদ্দ করা যেতে পারে বলে তাঁরা মনে করছেন। এছাড়াও রাজ্য সরকার ১০০ কোটি টাকার একটি তহবিল করেছে বলে ঘোষণা করেছিল। সেই তহবিল থেকে পুজোর সময় বাগান গুলির ৩৫ হাজার শ্রমিককে বোনাস দেওয়ার দাবি করেছেন তাঁরা। ইনটাকের শ্রমিক সংগঠন এনইউপিডব্লিউর নেতা মনি ডারনাল বলেছেন, ‘‘এখনও পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায় নি। পুজোর পর তা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তা যাতে না হয়, সে জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রের এগিয়ে আসা দরকার। নাহলে এই সুযোগে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মাথাচাড়া দিতে পারে বাগান গুলিতে।’’

সম্প্রতি রাজ্য সরকার ডানকান বাঁচাতে পাঁচ জন মন্ত্রীকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। অন্ত্যোর্দয় যোজনায় ডানকানের বাগানের শ্রমিকদের জন্য খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে । তবে তা স্থায়ী সমাধান নয় বলে মনে করছেন তাঁরা। শ্রমিক নেতাদের কথায়, ডানকানের শ্রমিকদের প্রচুর টাকা পিএফ ও গ্র্যাচুইটি বাবদ পাওনা রয়েছে। তার নিষ্পত্তি করা দরকার। কেবল মাত্র অন্ত্যোর্দয় যোজনা দিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy