একটি ফ্ল্যাটে দেহব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ওই অভিযোগে নাম জড়িয়ে গিয়েছে এক পুলিশ অফিসারের। এর প্রতিবাদ করায় স্থানীয় এক যুবককে তিন তলার বারান্দা থেকে ফেলে খুনের চেষ্টাও হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। শিলিগুড়ির হায়দরপাড়ার ইস্কন মন্দির রোডের একটি বহুতল আবাসনের ফ্ল্যাটে ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে। এর পরে ওই যুবককে দূরে নিয়ে গিয়ে ফেলে আসা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। ওই জখম যুবকের নাম সত্যেন থাপা। তাঁর ভাই অভিযোগ করেছেন, দেহ ব্যবসা চালানোর প্রতিবাদ করতেই তাঁর দাদাকে মারা হয়েছে। এমনকী ভক্তিনগর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি। যদিও পুলিশ মনে করছে, মদ্যপ অবস্থাতে গণ্ডগোলের জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে অভিযোগ নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার জগ মোহন বলেন, “এক সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” তবে প্রাথমিকভাবে দেহ ব্যবসা জাতীয় কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও ওই ফ্ল্যাটটিতে তদন্তে গিয়ে রক্তের দাগ পাওয়া গিয়েছে বলে স্বীকার করেছেন পুলিশ কমিশনার। তবে ঘটনার কারণ সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারছে না। যদিও এলাকাবাসীদের ধারণা, পুলিশ বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে কয়েক মাস আগে এক মহিলাকে ফুঁসলে সহবাসের অভিযোগ উঠেছিল। পরে তা মিটিয়ে নেওয়া হয়। সেই সময় তিনি প্রধাননগর থানায় ছিলেন। ওই ঘটনার পরে বিভাগীয় তদন্ত করে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অসামাজিক কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগেই তিনি ফের কাজে যোগ দেন বলে জানান শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার। ফের ওই অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে পুলিশ মহলেই।