এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা ছাত্রছাত্রী ছাড়া কাউকে কলেজে ভর্তি নেওয়া হবে না বলে আগে ভাগে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছিলেন। ৯ জন ছাত্রছাত্রী তাই ফি জমা দিলেও ভর্তি হতে পারেননি। বৃহস্পতিবার বীরপাড়া কলেজের প্রথম বর্ষের ভর্তি হওয়ার শেষ দিন ভর্তি বাতিল করার প্রতিবাদে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে ঘেরাও করে রাখল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। এ দিন বেলা ২টো থেকে অধ্যক্ষের ঘরে ওই ৯ জন ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে মেঝেতে বসে পড়েন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা কর্মীরা। সন্ধ্যা সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ঘেরাও ওঠেনি। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা কুণাল বিশ্বাস বলেছেন, ‘‘শান্তিপূর্ণ ভাবে অবস্থান চালাচ্ছি। কলেজে ভর্তি না হতে পারলে ওই সমস্ত ছাত্র ছাত্রীরা কোথায় যাবেন তা কর্তৃপক্ষ একবারও ভেবে দেখলেন না। নিয়ম পরিবর্তন করা না করা পর্যন্ত অবস্থান চালিয়ে যাওয়া হবে।’’ ছাত্রছাত্রীদের অবরোধে শুধু ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শুধু নন ২২ জন শিক্ষক-কর্মীও আটকে পড়েন। কলেজের অ্যাডমিশন সাব কমিটি বৈঠক করে জুন মাসে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ২০১৪ সালে যারা কোথাও ভর্তি হতে পারেননি তাঁদের ও এ বছর পাশ করা ছাত্রছাত্রীকে কেবল মাত্র ভর্তি নেওয়া হবে। এ বছর ইতিমধ্যে প্রথম বর্ষে এগারোশো জন ভর্তি হয়েছেন। এ দিন ভর্তির শেষ দিন দেখা যায় ৯ জন ছাত্র ছাত্রী নিয়ম না মেনে কলেজের ভর্তির জন্য টাকা জমা দিয়েছে। তাদের এদিন ভর্তি বাতিল করার কথা ঘোষণা হতেই আন্দোলনে নেমে পড়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শ্যাম সুন্দর প্রধান বলেছেন, ‘‘কলেজ কী ভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া চালাবে তা কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।’’