Advertisement
E-Paper

রাজ্যপালের ভাষণ আজ, প্রতিবাদ বিরোধীদের

সরকার পক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, পরবর্তী অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণ ও বাজেট নিয়ে বিতর্কের সুযোগ থাকবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০০:৩৭

বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণে অংশগ্রহণ করেই এ বার প্রতিবাদ জানাতে চায় বিরোধী কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট। তাদের অভিযোগ, রাজ্যপালের বক্তৃতা এবং রাজ্য বাজেটের উপরে বিতর্কের সুযোগ না দিয়ে শাসক পক্ষ ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ করছে। বিধানসভা কক্ষের ভিতরে দাঁড়িয়েই সেই বিষয়ে রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করবে তারা। সরকার পক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, পরবর্তী অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণ ও বাজেট নিয়ে বিতর্কের সুযোগ থাকবে।

রাজ্যপালের বক্তৃতার মধ্যে দিয়েই আজ, শুক্রবার শুরু হচ্ছে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। শুরুতে নয়, রাজ্যপালের ভাষণের পরে বিকেলে হবে শোকপ্রস্তাব। রাজ্য বাজেট পেশ হবে ৪ ফেব্রুয়ারি, সোমবার। পর দিন মঙ্গলবার চার মাসের জন্য ব্যয়বরাদ্দ (ভোট অন অ্যাকাউন্ট) পাশ করানো হবে। অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল পাশ করে সে দিনই শেষ হবে অধিবেশন। পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার প্রথমে জানিয়েছিলেন, সোমবার বেলা ১২টায় বাজেট পেশ হবে। পরে আবার সংশোধিত সূচিতে জানানো হয়, বাজেট হবে বেলা আড়াইটেয়। সে দিনই বাজেটের আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের কৃষক ও ক্ষেতমজুর সম্মেলনে বক্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অধিবেশন উপলক্ষে স্পিকারের ডাকা সর্বদল ও কার্য উপদেষ্টা (বি এ) কমিটির বৈঠক এ দিন বয়কট করেছে কংগ্রেস ও বাম। তাদের যুক্তি, এর আগে বিধানসভার কক্ষে বিধায়কদের মাথা গুনতি করে অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণ করার পরেও বি এ কমিটিতে তা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের কোনও কথাই যখন শোনা হয় না, তা হলে আর অধিবেশন শুরুর আগে সর্বদল বা বি এ কমিটিতে গিয়ে লাভ কী? বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান ও বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, রাজ্যপালের উপস্থিতিতে ‘লক্ষ্মণরেখা’ মেনেই তাঁরা প্রতিবাদ করতে চান। সভায় থাকবে বিজেপিও।

মান্নান এ দিন বলেন, ‘‘এর আগে স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য, পঞ্চায়েতের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের বাজেট গিলোটিনে পাঠানো হয়েছে। এ বার গোটা বিধানসভাকেই গিলোটিনে পাঠাতে চাইছে সরকার!’’ সুজনবাবুর মন্তব্য, ‘‘রাজ্যপালের ভাষণে সরকারের গত এক বছরের কাজের খতিয়ান থাকে। তার উপরে বিতর্কের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না মানে সরকার ভয় পাচ্ছে!’’ বিরোধীদের অভিযোগ খণ্ডন করে পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থবাবু অবশ্য জানিয়েছেন, অতীতে ১৯৭৭, ১৯৮২ ও ২০০৪ সালেও এমন পরিস্থিতি হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, ‘‘বেআইনি কিছু করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালীর ১৯ (২) ধারা মেনে সূচি নির্ধারিত হয়েছে। পরে দফাওয়াড়ি বাজেটের সময়ে তো বিতর্কের সুযোগ থাকবে।’’ বিরোধীদের প্রতি মন্ত্রীর আরও কটাক্ষ, ‘‘বিগত এক বছরে ওরা ক’দিন সভায় থেকেছে? আমরা চাই, ভিতরে সুয়োগ আছে, সেখানে বলুক। কিন্তু ওরা তো ভিতরে থাকে কম, বাইরে সময় কাটাতেই ভালবাসে!’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy