Advertisement
E-Paper

উন্নয়নের ফিরিস্তি চাইলেন অনুব্রত

যেমনটা করে থাকেন দলনেত্রী। সেই প্রশ্ন-উত্তরের ঢঙেই ইলামবাজারে কর্মী সম্মেলন সারলেন অনুব্রত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০২:৪৭

যেমনটা করে থাকেন দলনেত্রী। সেই প্রশ্ন-উত্তরের ঢঙেই ইলামবাজারে কর্মী সম্মেলন সারলেন অনুব্রত।

রবিবাসরীয় এই কর্মী সম্মেলনের মূল সুর ছিল উন্নয়ন। ইলামবাজার ব্লকের ন’টি পঞ্চায়েত এলাকার বুথ সভাপতি থেকে শুরু করে অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান, সদস্যেদের কাছে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি প্রকল্প ধরে ধরে সকলের কাছে জানতে চান গত আড়াই বছরে কী কী উন্নয়নমূলক কাজ তাঁরা করেছেন। প্রশ্ন ছিল, একশো দিনের কাজের প্রকল্পে কতগুলি কর্মদিবস হয়েছে? কত কিলোমিটার নতুন রাস্তা হয়েছে? পানীয় জল, শৌচালয়, নাকাশির কী হাল? প্রতিশ্রুতি বা চাহিদা কী ছিল।

এ দিনের সভার জন্যে জেলা সভাপতির প্রস্তুতি ছিল, সে প্রমাণও মিলেছে। কেমন? অনুব্রত জানতে চান গত লোকসভা ভোটের নিরিখে বুথগুলিতে দলীয় সদস্যেরা কে, কোন অবস্থায় রয়েছেন? উত্তর দিতে এক সময় উঠে দাঁড়ান এক পঞ্চায়েত সদস্য। তিনি জানান, লোকসভার নিরিখে এলাকার তিনটি বুথে পিছিয়ে পড়েছেন। সঙ্গে থাকা কাগজে চোখ বুলিয়ে অনুব্রত দেখেন যে উত্তরদাতা পাঁচটি বুথে পিছিয়ে! তা দেখে অনুব্রতর প্রতিক্রিয়া, ‘‘কমিয়ে বলছেন কেন? অন্য উদ্দেশে নাকি কতগুলোতে হেরে রয়েছেন সেটা ভুলে গিয়েছেন!’’

Advertisement

গায়ের জোরে ভোট করানোর কথা বলে থাকেন যিনি সেই অনুব্রত হঠাৎ উন্নয়নের পিঠে সওয়ার হতে চাইছেন দেখে কৌতূহলী জেলার রাজনৈতিক মহল। সংশ্লিষ্ট মহলের পর্যবেক্ষণ, তবে কি ভোটের মুখে ভাবমূর্তি মেরামতের চেষ্টায় ফিরছেন অনুব্রত? সদুত্তর এড়িয়ে জেলা তৃণমূল নেতাদের অবশ্য দাবি, উন্নয়নের নিরিখেই ভোটে জিততে চান তাঁরা।

ইলামবাজার ফুটবল মাঠে এ দিনের সভায় ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা মৎস্য মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, লাভপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ তথা সংশ্লিষ্ট ব্লক সভাপতি জাফারুল ইসলাম প্রমুখ।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy