Advertisement
E-Paper

কলের জলে পোকা, ক্ষোভ মানবাজারে

দুর্গন্ধের চোটে কলের জল বাসিন্দারা খেতে পারছেন না। গত কয়েকমাস ধরে মানবাজারের পোদ্দারপাড়া এলাকায় কয়েকটি কলের জল নিয়ে এমনই অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জল নিয়ে নালিশ জানিয়েও প্রতিকার হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০১৫ ০২:২২

দুর্গন্ধের চোটে কলের জল বাসিন্দারা খেতে পারছেন না। গত কয়েকমাস ধরে মানবাজারের পোদ্দারপাড়া এলাকায় কয়েকটি কলের জল নিয়ে এমনই অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জল নিয়ে নালিশ জানিয়েও প্রতিকার হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ।

পোদ্দারপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, হরিমন্দির মোড়ে জলের কলে কয়েক মাস আগে থেকে জলে দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। পাড়ার যুবক রাজা দত্ত, অরূপ গড়াই, লাল্টু দত্তদের অভিযোগ, “আগের থেকে ইদানীং জলে দুর্গন্ধ বাড়ছে। সম্প্রতি আবার কয়েকদিন ধরে জলের সঙ্গে পোকাও বের হচ্ছে। ওই দূষিত জল খেয়ে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কায় পাড়ার লোকজন ওই জল খাওয়া ছেড়েই দিয়েছেন।’’ তাঁদের মতে, ওই কলের পাশেই নর্দমা রয়েছে। তাঁদের ধারনা, মাটির নীচে থাকা জলের পাইপ ফুটো হয়ে দিয়েছে। নর্দমার জল ওই ফুটো দিয়ে পাইপে ঢুকে খাবার জল নোংরা করছে। তাঁদের দাবি, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ও প্রধানকে জানিয়েও কোন সুরাহা হয়নি। এলাকার বাসিন্দা সবিতা সেন, ভাদু বাউরি বলেন, “এই পাড়ার মহিলারা অন্য এলাকায় জল নিতে গেলে তাঁরা লাইন ছাড়তে চান না। ফলে জল নিতে সমস্যা হচ্ছে। অনেকের বাড়িতে নলকূপ এবং কুয়ো রয়েছে। কিন্তু সেই জলও খাওয়া যায় না।”

বাসিন্দাদের অভিযোগ, আগে একটি নল থেকে দুর্গন্ধযুক্ত জল বেরোচ্ছিল। কিছুদিন হল পাড়ার অন্যান্য কলের জল থেকেও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। স্থানীয় একটি হোটেলের মালিক প্রেমসিন্ধু নন্দী তার হোটেলের সামনের নল থেকে রবিবার জল সংগ্রহ করছিলেন। দেখা গেল জারিকেন ভর্তি জলে পোকা কিলবিল করছে। প্রেমসিন্ধু জানালেন, ওই জল খদ্দেরদের দেওয়া যায় না। তাই ফিল্টার কিনতে বাধ্য হয়েছি।” মানবাজারের বিডিও সায়ক দেব বলেন, “কিছু বাসিন্দা আমার কাছে এসেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ পেয়ে জন স্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের কর্মীদের খোঁজ নিয়ে দেখতে বলেছিলাম। তাঁরাও জানিয়েছেন নর্দমার জল সরবরাহের পাইপ ফুটো হয়ে যাওয়ায় এই বিপত্তি। ওই জল খেলে ডায়েরিয়া এবং পেটের রোগের আশঙ্কা রয়েছে। আপাতত বাসিন্দাদের জল ফুটিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। খুব শীঘ্রই পাইপ লাইনের ওই অংশ মেরামতি করা হবে।”

manbazar tap water drinking water
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy