E-Paper

ভাল ফলের দাবি পদ্মের, তৃণমূল বলছে ‘দিবাস্বপ্ন’

জেলা বিজেপির নেতাদের দাবি, এ বার জেলার হিন্দু ভোট একত্রিত হয়েছে, যা দলকে অক্সিজেন জোগাবে।

শুভদীপ পাল 

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১০:০৮
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ভোটপর্ব মিটতেই জেলায় শুরু হয়েছে সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ। রাজনৈতিক দলগুলি বুথভিত্তিক জয়-পরাজয়ের সমীকরণ মেলাতে ব্যস্ত। এই আবহে দিন চারেক আগে সিউড়িতে জেলা কমিটির সদস্যদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন দলের বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয়শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জেলা কমিটির সদস্যরা। সেই বৈঠকে বীরভূমে গত বারের চেয়ে ভাল ফল হবে বলেই মত প্রকাশ করেছেন সদস্যেরা। বিজেপির আত্মবিশ্বাসকে পাল্টা কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

জেলা বিজেপির নেতাদের দাবি, এ বার জেলার হিন্দু ভোট একত্রিত হয়েছে, যা দলকে অক্সিজেন জোগাবে। পাশাপাশি, একাধিক আসনে শাসক দল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেও বিজেপি ফায়দা পাবে বলে বৈঠকে জেলা নেতৃত্ব আশাবাদী। এ ছাড়া, এসআইআরের জন্য তালিকা থেকে লক্ষাধিক ভোটারের নাম বাদ যাওয়া নিয়েও আশাবাদী বিজেপি। তাদের মতে, মৃত, স্থানান্তরিত বা ভুয়ো ভোটারদের ভোট এতকাল তৃণমূলের ঝুলিতে যে। এ বার তা না হওয়ায় তার সুবিধা বিজেপি পাবে।

বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, প্রথম দফায় মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছেন। হিংসা খুবই কম হয়েছে। 'ছাপ্পা' ভোটের অভিযোগ কোথাও ওঠেনি। মহিলা ভোটারদের গতিপ্রকৃতি নিয়েও আশায় বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকারের 'লক্ষ্মীর ভান্ডার'-এর বিকল্প হিসাবে বিজেপির 'অন্নপূর্ণা ভান্ডার' প্রকল্পের প্রতি জেলার মহিলাদের ঝোঁক ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোট দিতে জেলায় ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের বড় অংশের ভোটও তাঁরা পাবেন বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি। উদয়শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বীরভূম সাংগঠনিক জেলার অধীনে ৭ বিধানসভা কেন্দ্রেই খুবই ভাল ফল হবে। নানা দিক বিবেচনা করার পরেই আমরা নিশ্চিত, এ বার বীরভূমে বিজেপি চমকে দেওয়া ফল করবে।’’

​যদিও বিজেপির এই সব হিসাবকে ‘দিবাস্বপ্ন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল শিবির। তাদের দাবি, ৪ মে বিজেপির সমস্ত হিসাব ভুল প্রমাণিত হবে। তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওঁদের হিসাবনিকাশে যে কত ভুল আছে তা, ভোটের ফল প্রকাশের দিনেই স্পষ্ট বুঝে যাবে। এসআইআরের নামে বিজেপি যে ভাবে মানুষকে দুর্ভোগ ও হয়রানিতে ফেলেছে, বৈধ ভোটারের নাম বাদ দিয়েছে, তার জবাব মানুষ ইভিএমে দিয়েছেন। জনতা যে বিজেপিকে আবার প্রত্যাখান করেছে, তা ৪ তারিখ বিজেপি ভাল করে বুঝে যাবে!’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Suri

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy