রাস্তার যানজট কমাতে জোড়-বিজোড় সংখ্যা অনুযায়ী শহরে টোটো চলাচল করবে আজ মঙ্গলবার থেকে।
দিন পাঁচেক আগে রামপুরহাট মহকুমাশাসক সুপ্রিয় দাস শহরের টোটো চালকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিদিন টোটো চলাচল কমানো হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একদিন দুপুর ২ টো থেকে পরের দিন দুপুর ২ টো পর্যন্ত জোড় সংখ্যার টোটো চলাচল করবে। পরের দিন একই সময়ে বিজোড় সংখ্যার টোটো চলাচল করবে। এ ছাড়া টোটো চালকদের কাছে আধার কার্ড না হলে সচিত্র পরিচয় পত্র থাকতে হবে। চালকদের বয়স ১৮ বছর নীচে হলে হবে না। এ ছাড়াও শহরের নির্দিষ্ট ওয়ানওয়ে দিয়ে টোটো চালকদের চলাচল করা যাবে না। রামপুরহাট মহকুমা শাসক সুপ্রিয় দাস জানান, জাতীয় সড়কের উপর টোটো চলাচল করা যাবে না।
শহরে টোটোর সংখ্যা কত, তাই নিয়ে এখনও দ্বিধায় রয়েছেন প্রশাসন থেকে টোটো চালক ইউনিয়ন। এ দিন তৃণমূল পরিচালিত টোটো চালক ইউনিয়নের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী রামপুরহাট পুরসভা থেকে এখনও পর্যন্ত ৬০০ টোটোকে নম্বর দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে শহরের ভিতরে দেখা যাচ্ছে ব্লক, পঞ্চায়েত থেকে নম্বর দেওয়া টোটোও চলছে। সব মিলিয়ে ঠিক কত শহরে টোটো চলছে সেই হিসাব পুলিশের কাছেও নেই। রামপুরহাট মহকুমাশাসক এ দিন বলেন, ‘‘টোটো চলাচলের ক্ষেতে নতুন নিয়ম ভঙ্গ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
রামপুরহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রী অপেক্ষায় টোটো চালকরা অনেক ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয় সেটাই দেখার। তবে জাতীয় সড়কের উপর হাসপাতাল এবং বাসস্ট্যান্ড হওয়ার জন্য টোটো চালকরাও অনেক ক্ষেত্রে সেই সুবিধা ভোগ করে থাকেন। তৃণমূল পরিচালিত রামপুরহাট টোটো চালক ইউনিয়ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ২৮ অক্টোবর বৈঠকে বসেন। তাঁরা প্রশাসনকে সব দিক থেকে সাহায্য করবে বলে জানা গিয়েছে।
তৃণমূলের রামপুরহাট ১ ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেন বলেন, ‘‘প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শহরে টোটো চলাচলের উপর রাশ টানা হয়েছে। আজ থেকে সেটি কার্যকর করা হবে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টোটো চালকরা শহরে চলাচল করবে।’’ রামপুরহাট থানার আইসি স্বপন ভৌমিকও বলেন, ‘‘নতুন নিয়ম মানা হচ্ছে কিনা সেদিকে নজর থাকবে।’’