শুরু হল জয়চণ্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসব। কিন্তু নোট বাতিলের জেরে এ বার সেই জৌলুস চোখে পড়ল না। কর্তৃপক্ষ অবশ্য আগেই জানিয়েছিলেন, নোট বাতিলে উৎসবের খরচ জোগাড় করতে তাঁরা সমস্যায় পড়েছেন। হলও তাই।
বুধবার একাদশতম উৎসবের উদ্বোধন করেন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ মন্ত্রী শান্তিরাম মাহতো। ছিলেন পুরুলিয়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) প্রবালকান্তি মাইতি, রঘুনাথপুরের মহকুমাশাসক দেবময় চট্টোপাধ্যায়, এসডিপিও (রঘুনাথপুর) গোপাল গোস্বামী এবং দুই বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরি ও উমাপদ বাউরি।
জয়চণ্ডীপাহাড়কে ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ার লক্ষে দশ বছর আগে শুরু হয়েছিল জয়চণ্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসব। গত কয়েক বছর ধরে এই পাহাড়কে ঘিরে পর্যটনের বিকাশের কাজ এগোচ্ছে। পর্যটন দফতরের টাকায় পাহাড়ে তৈরি হয়েছে কটেজ। পাহাড়ের অন্য গায়ে তৈরি হয়েছে যুব আবাস। মোটেল তৈরির কাজও চলছে। সব মিলিয়ে এই পাহাড়কে ঘিরে সুসংহত ভাবে পর্যটনকেন্দ্র তৈরির কাজ বেশ গতি পেয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলেই যে জয়চণ্ডী পাহাড়কে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র গড়ার কাজ শুরু হয়েছে, মঞ্চ বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী শান্তিরামবাবু। জয়চণ্ডীকে রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রের সামনের সারিতে তুলে আনার জন্য প্রশাসন নিরন্তর চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী থেকে বিধায়কেরা।
পাহাড়ে কটেজের পরে যুব আবাস তৈরির লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে যাওয়ায় পর্যটকদের সমস্যা পুরোপুরি কাটেনি। এ দিন অবশ্য শান্তিরামবাবু ও অতিরিক্ত জেলাশাসক দ্রুত যুব আবাসের দরজা পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পুরপ্রধান তথা পর্যটন কমিটির সম্পাদক ভবেশ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘জয়চণ্ডীপাহাড়ে পর্যটনের আরও বিকাশের জন্য এলাকার পরিকাঠামোর উন্নয়নে নির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা নিচ্ছে পুরসভা।”