ভারত মহাসাগরে ইরানের দ্বিতীয় রণতরীতে ইঞ্জিন বিভ্রাট দেখা গিয়েছে। ফলে জাহাজটি মাঝসমুদ্রে আটকে পড়েছে। সেখান থেকে ২০৪ জন উদ্ধার করে নিরাপদে কলম্বোতে নিয়ে গিয়েছে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী। তবে জাহাজটিকে সরানো যায়নি। তাকে উপকূলের কাছাকাছি আনতে এবং নিকটবর্তী বন্দরে নোঙর করাতে এখনও দু’দিন লাগতে পারে। জাহাজে রয়েছেন চার জন ইরানি নাবিক।
শ্রীলঙ্কার নৌসেনা জানিয়েছে, ইরানের আইআরআইএনএস বুশেহ্র যুদ্ধজাহাজটিতে মোট ২০৮ জন ছিলেন। ২০৪ জনকে উদ্ধার করে কলম্বোতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ওয়েলিসারা নৌঘাঁটিতে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে এবং শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। তার পর দেশে ফেরানোর বন্দোবস্ত করা হবে ওই ইরানি নাগরিকদের। তবে জাহাজটি কলম্বো থেকে দূরে মাঝসমুদ্রে রয়েছে। তার নিকটবর্তী বন্দর ত্রিঙ্কোমালি। সেখানে পৌঁছোতে আরও অন্তত দু’দিন লাগতে পারে।
আরও পড়ুন:
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা দিশানায়েকে বৃহস্পতিবার জানান, ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দেওয়ায় ইরানের বুশেহ্র যুদ্ধজাহাজ তাদের জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিল। মানবিক কারণে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর নেপথ্যে কোনও রাজনীতি নেই। তিনি বলেন, ‘‘আমরা নিরপেক্ষ থেকে মানবিক ভাবে বিষয়টির মোকাবিলা করতে চেয়েছিলাম। কারণ প্রতিটি প্রাণ আমাদের কাছে মূল্যবান। কারও মৃত্যু কাম্য নয়।’’ শ্রীলঙ্কার নৌসেনার তথ্য বলছে, দ্বিতীয় ইরানি জাহাজটিতে ৫৩ জন অফিসার, ৮৪ জন ক্যা়ডেট, ৪৮ জন সিনিয়র নাবিক এবং ২৩ জন সাধারণ নাবিক ছিলেন।
ভারত থেকে ফেরার পথে শ্রীলঙ্কার কাছে ভারত মহাসাগরের উপর ইরানের যুদ্ধজাহাজ আইরিশ ডেনায় হামলা চালায় আমেরিকা। মার্কিন টর্পেডো হামলায় জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সেই উদ্ধারকাজে হাত লাগায় ভারতীয় সেনাও। এখনও পর্যন্ত ৮৪ জনের দেহ উদ্ধার করা গিয়েছে। তাঁদের দেহ ইরানে ফেরানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে শ্রীলঙ্কা সরকারের সঙ্গে। এই হামলার পরেই ইরানের দ্বিতীয় জাহাজটি কলম্বোয় আশ্রয় চেয়েছিল। পরে তাতে ইঞ্জিন বিভ্রাট দেখা যায়। দ্বিতীয় জাহাজটিও মার্কিন হামলা নিয়ে আতঙ্কে ছিল। আপাতত সেই জাহাজের অধিকাংশ আরোহীকেই নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
১৩:৩০
যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়বে! আমেরিকা ও ইরানের দ্বিতীয় বৈঠকের আগে দাবি মার্কিন বাহিনীর প্রাক্তন প্রধানের -
১৩:১৪
‘পালানোর চেষ্টা করলেই গুলি চলবে’! ইরান নৌবন্দরের কাছে জাহাজ দেখতে পেয়েই কপ্টার থেকে হুঁশিয়ারি মার্কিন সেনার -
ওমান প্রান্ত দিয়ে জাহাজ গেলেই তো মিটে যায় সমস্যা! তবু কোন সূত্রে হরমুজ়ে ‘অ্যাডভান্টেজ’ পায় ইরান? কোথায় আতঙ্ক?
-
চালাকির চেষ্টা করলেই ঝাঁপাব পুরো শক্তি দিয়ে, আমরা তৈরি! দ্বিতীয় বৈঠকের দিনক্ষণ নিয়ে সংশয়ের মধ্যেই তোপ ইরানের
-
‘আমেরিকা যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙেছে’, আবার হরমুজ় অবরোধের ঘোষণা ইরানের! নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা