Advertisement
E-Paper

Death: নিখোঁজ যুবকের দেহ উদ্ধার জলাধারে

মৃতের পরিবারের দাবি অপহরণ করে খুন করা হয়েছে প্রীতমকে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২২ ০৬:৫২
প্রীতম সাহা ।

প্রীতম সাহা । নিজস্ব চিত্র

চারদিন নিখোঁজ থাকার পরে বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার হল এক যুবকের দেহ। এদিন সকালে সিউড়ির তিলপাড়া জলাধারে মৃতদেহটি ভেসে ওঠে। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম প্রীতম সাহা (২৬)। সিউড়ি ডাঙ্গালপাড়ার বাসিন্দা। গত রবিবার এই জলাধারের পাশেই তাঁর মোটরবাইক, জ্যাকেট, মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোনও পাওয়া যায়। মৃতের পরিবারের দাবি অপহরণ করে খুন করা হয়েছে প্রীতমকে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান জলে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের। তবে ঘটনার সময় সঙ্গে কেউ থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী বলেন, ‘‘ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই সবটা পরিষ্কার হবে।’’

মৃতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রীতম লেখাপড়া করছিলেন। গত শনিবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। তাঁর মামার বাড়ি সিউড়ির পাইকপাড়ায়। দিন কয়েক আগেই মামার বাড়ি বেড়াতে যান। গত শনিবার সন্ধ্যায় একটি সাইবার কাফেতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। মৃতের পরিবারের দাবি, তাঁকে বারবার ফোন করেও না মেলায় শনিবার রাত থেকেই তাঁরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন৷ প্রীতম যেখানে যেখানে যান সেই সব সম্ভাব্য জায়গাতেই তাঁর আত্মীয়রা গিয়েছিলেন বলে এ দিন জানান। এমনকি তিলপাড়া জলাধারের কাছে যেখানে তাঁর মোটরবাইক ও অন্য জিনিসপত্র মিলেছিল রবিবার সকালে সেখানেও শনিবার রাতে কিছুই দেখতে পাওয়া যায়নি বলে তাঁর এক আত্মীয়ের দাবি। রবিবার থেকেই জলাধারে ডুবুরি নামায় প্রশাসন। আসানসোল থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা এসেও জলে নেমে তল্লাশি চালান। কিন্তু খোঁজ মেলেনি।

এদিন সকালে তাঁর মৃতদেহ ভেসে উঠেছে বলে পরিবারের লোকেদের জানায় পুলিশ। মৃতের বাবা গৌতমকুমার সাহা বলেন, ‘‘আমার বিশ্বাস, ছেলেকে কেউ অপহরণ করে খুন করেছে। আর ওই জিনিসগুলি তিলপাড়া জলাধারের কাছে রেখে গিয়েছিল। রবিবার এত খোঁজার পরেও তো মৃতদেহ উদ্ধার হয়নি।’’

Death
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy