Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

সম্মেলনে নেই ‘বিরুদ্ধ গোষ্ঠী’

রঘুনাথপুর ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি মিহির বাউরির ডাকা কর্মী সম্মেলনে বুধবার গরহাজির ছিলেন বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর নেতারা।

নিজস্ব সংবাদদাতা
রঘুনাথপুর ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ০৫:২৭
Save
Something isn't right! Please refresh.
—ফাইল চিত্র।

—ফাইল চিত্র।

Popup Close

পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ১ ব্লকের অঞ্চল সভাপতিদের নিয়োগ ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধ প্রকাশ্যে আসার পরে সবাইকে এক সঙ্গে নিয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছিলেন দলের জেলা নেতৃত্ব। কিন্তু ওই ব্লকে তৃণমূলের ‘কোন্দল’ ফের সামনে এসে পড়েছে বলে দাবি দলেরই নিচুতলার নেতা-কর্মীদের একাংশের।

রঘুনাথপুর ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি মিহির বাউরির ডাকা কর্মী সম্মেলনে বুধবার গরহাজির ছিলেন বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর নেতারা। রঘুনাথপুর শহরের পঞ্চায়েত সমিতির কমিউনিটি হলে ওই কর্মী সম্মেলনে ছিলেন বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরি, রঘুনাথপুর ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অষ্টমী হাঁসদা, জেলা পরিষদের কো-মেন্টর জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, রঘুনাথপুর শহর তৃণমূল সভাপতি বিষ্ণুচরণ মেহেতা।

সূত্রের খবর, সম্মেলনে অনুপস্থিত ছিলেন দলের ব্লক সহ-সভাপতি প্রকাশ সিংহ দেও, জেলার দুই সাধারণ সম্পাদক হাজারি বাউরি, প্রদীপ মাজি, জেলা সম্পাদক মুকুল বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। ছিলেন না কয়েকটি অঞ্চলের সভাপতি-সহ ব্লক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেতাও। ঘটনাচক্রে, তাঁদের বড় অংশই দলের বিক্ষুদ্ধ গোষ্ঠীর বলে দলীয় কর্মীদের কাছে পরিচিত।

Advertisement

তবে ওই নেতাদের দাবি, সম্মেলনে তাঁদের ডাকাই হয়নি। রঘুনাথপুর ১ ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি প্রকাশ সিংহ দেও দাবি করেন, ‘‘ওই কর্মী সম্মেলনের কথা জানতাম না। পরে লোকমুখে শুনেছি। আমাদের সম্মেলনে ডাকা হয়নি।” বুধবার ও বৃহস্পতিবার ব্লক তৃণমূল সভাপতি ফোন ধরেননি। জবাব দেননি মেসেজের। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সম্মেলনে সবাইকে ডাকা হয়েছিল।

দলের অন্দরের খবর, রঘুনাথপুর ১ ব্লকে দলের পুরনো কর্মী হিসাবে পরিচিত মিহিরবাবুকে ব্লক সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই ব্লকে নেতৃত্ব কার্যত আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গিয়েছে। ব্লক সহ-সভাপতি তথা শিক্ষক নেতা প্রকাশ সিংহ দেও-এর সঙ্গে জেলার দুই সাধারণ সম্পাদক হাজারি বাউরি ও প্রদীপ মাজি, জেলা সম্পাদক মুকুল বন্দ্যোপাধ্যায়েরা মিহিরবাবুর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই ‘দলবিরোধী’ কাজকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলতে শুরু করেন। ফাটল আরও চওড়া হয়, ব্লকের সাতটি অঞ্চল সভাপতি নির্বাচনকে ঘিরে। বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর দাবি, রঘুনাথপুর ১ ব্লকের অন্তত চারটি অঞ্চল কমিটির সভাপতিদের সমর্থন আছে তাদের সঙ্গে। অন্য দিকে, মিহিরবাবুর নেতৃত্বেই আস্থা রেখেছেন দলের পুরনো নেতা-কর্মীদের বড় অংশ।

ওই সম্মেলন সম্পর্কে বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর অন্যতম নেতা বলে পরিচিত মুকুল বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ‘‘ব্লক সভাপতিকে দলের জেলা নেতৃত্ব নির্দেশ দিয়েছিলেন, ব্লকের সবাইকে নিয়েই কাজ করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে তিনি তা মানছেন না। তিনি দলের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করছেন।”

রঘুনাথপুর ১ ব্লকে দলের কোন্দল না মেটার ঘটনায় যথেষ্ট বিরক্ত দলের জেলা নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূল সভাপতি গুরুপদ টুডু বলেন, ‘‘কর্মী সম্মেলনে ব্লক সভাপতি যদি সবাইকে না ডেকে থাকেন, তা হলে তিনি ঠিক কাজ করেননি। আর যদি কেউ ডাক পেয়েও সম্মেলনে গরহাজির থাকেন, সেটা-ও ভুল। পুরো ঘটনা দলীয় স্তরে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।”

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement